টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে পাকিস্তান হারার পর শাহিন আফ্রিদিকে প্রথম একাদশ থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছিলেন শাহিদ আফ্রিদি। নিজের জামাইয়ের পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক হারের অন্যতম কারণ হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন জোরে বোলারের পারফরম্যান্সকে। আবারও জামাইয়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তিনি।
বার বার একই ভুল করে চলেছেন শাহিন। জামাইয়ের খেলায় উন্নতি না দেখে হতাশ এবং ক্ষুব্ধ আফ্রিদি। শাহিনকে কিছু দিন কোচিংও করিয়েছেন তিনি। তাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জামাইয়ের থেকে ভাল পারফরম্যান্সের প্রত্যাশা করেছিলেন প্রাক্তন অলরাউন্ডার। বিশ্বকাপে টি-টোয়েন্টি পাকিস্তানের ব্যর্থতা নিয়ে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে কথা বলার সময় রেয়াত করেননি নিজের জামাইকেও।
ক্ষুব্ধ আফ্রিদি বলেছেন, ‘‘শাহিন বেশ কয়েক বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছে। এখনও পর্যন্ত শিখল না শেষ ওভারে কোথায় বল করতে হয়! ওকে বহু বার বুঝিয়েছি। এটুকু তো জানা উচিত। মাথায় রাখা উচিত। একই ভুল বার বার করে চলেছে।’’ আফ্রিদি আরও বলেছেন, ‘‘ডানহাতি ব্যাটার ব্যাট করলে রাউন্ড দ্য উইকেট বল করা যায় না। কেউ যদি এ ভাবেই বল করে যেতে চায়, তা হলে বাঁহাতি বোলারের উচিত স্টাম্পে বল রাখা। থার্ড ম্যান এবং পয়েন্টের ফিল্ডার ৩০ গজ বৃত্তের মধ্যে থাকলে ওয়াইড ইয়র্কার করা যায় না। এ রকম বল করলে এশিয়ার পিচে ব্যাটারেরা মারবেই। কারণ মারার জন্য সহজ বল পেয়ে যায় ব্যাটারেরা। অথচ একই বল ওভার দ্য উইকেট করলে ছয় মারা কঠিন হয়। জানি না, এই সহজ বিষয়গুলো এদের শিখতে আর কত দিন লাগবে! এরা আসলে শিখতেই চায় না। অথবা চাইলেও শিখতে পারে না।’’
আরও পড়ুন:
টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের অন্য ক্রিকেটারদেরও সমালোচনা করেছেন আফ্রিদি। তবে শাহিনের সমালোচনাই বেশি করেছেন। তাঁর যুক্তি নিজের ঘরের ছেলেই যখন ভুলের পর ভুল করে চলে, তখন অন্যদের কথা বলা সাজে না। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শাহিন ৪ ওভারে ৪৮ রান দিয়েছিলেন। বিশ্বকাপে ওভার প্রতি খরচ করেছেন ১০.৫২ রান। অথচ তিনিই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছিলেন সলমন আলি আঘার দলের প্রধান স্ট্রাইক বোলার।