দল জিতলেও দিনটা ভাল যায়নি শ্রেয়স আয়ারের। প্রথমে ব্যাট করার সময় কব্জিতে চোট পেয়েছেন তিনি। পরের বলেই আউট হয়েছেন। খেলা শেষে আবার শাস্তিও পেয়েছেন পঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক।
শ্রেয়স যখন ১৮ রান করে ব্যাট করছেন, তখন সতীর্থ কুপার কোনোলির একটি শট সরাসরি তাঁর দিকে আসে। হাত এগিয়ে শরীর বাঁচানোর চেষ্টা করেন শ্রেয়স। বল গিয়ে তাঁর ডান হাতের কব্জিতে লাগে। যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন তিনি। মাঠে চিকিৎসা চলে তাঁর। বোঝা যাচ্ছিল, যন্ত্রণা তখনও হচ্ছে। কিছু ক্ষণ পর আবার ব্যাট করতে যান শ্রেয়স। প্রথম বলেই আউট হয়ে ফেরেন তিনি।
খেলা শেষে শ্রেয়সকে চোটের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন তিনি বলেন, “এখন ঠিক আছি। এটুকুই বলব। বেশি কিছু বলতে চাই না। ইতিবাচক থাকতে চাই। আশা করছি, সব ঠিক হবে।” জানা গিয়েছে, তাঁর চোট পরীক্ষা করে দেখা হবে। তার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন চিকিৎসকেরা।
শ্রেয়স আউট হওয়ার পর দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল পঞ্জাব। সেই সময় অবশ্য নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন অধিনায়ক। শ্রেয়স বলেন, “সত্যি বলতে, তখন সাজঘরে ফিরে হাত নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। বরফ দিচ্ছিলাম। হঠাৎ শুনলাম, আরও দুই উইকেট পড়ে গিয়েছে। আইপিএলে এই ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে। শেষ পর্যন্ত কোনোলি দলকে জিতিয়েছে। পরিণত ইনিংস খেলেছে ও।”
আরও পড়ুন:
চলতি আইপিএলে মন্থর বোলিংয়ের জন্য প্রথম অধিনায়ক হিসাবে শাস্তি পেয়েছেন শ্রেয়স। জরিমানা হয়েছে তাঁর। আইপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল একটি বিবৃতিতে বলেছে, “গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে মন্থর বোলিংয়ের জন্য পঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক শ্রেয়সকে ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। যে হেতু এটা তাঁর প্রথম অপরাধ তাই আইপিএলের ২.২২ ধারা অনুযায়ী তাঁকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।” তিনি নিজে বল করেন না। কিন্তু দলের বোলারদের দোষে জরিমানা দিতে হয়েছে শ্রেয়সকে।
গত বারও মন্থর বোলিংয়ের জন্য দু’বার শাস্তি পেয়েছিলেন শ্রেয়স। প্রথম বার ১২ লক্ষ ও দ্বিতীয় বার ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল তাঁকে। তৃতীয় বার এই অপরাধ করলে সেই অধিনায়ককে এক ম্যাচ নির্বাসিত করা হয়। গত বার লখনউ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক ঋষভ পন্থ এক ম্যাচ নির্বাসিত হয়েছিলেন।