Advertisement
E-Paper

ঘরের মাঠ জানতে চেয়ে আইএসএলের ক্লাবগুলিকে আবার চিঠি পাঠাল ফেডারেশন, ২৫ কোটি বাজেটের কোথায় কত বরাদ্দ, জানাল তা-ও

আইএসএল দ্রুত চালু করার তোড়জোড় শুরু করেছে ফেডারেশন। শনিবার আবার একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলিকে। বাজেটের মধ্যে কোথায় কত টাকা খরচ করা হবে, তারও একটি হিসাব দেওয়া হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:৫২
football

আইএসএলের ট্রফি। — ফাইল চিত্র।

আইএসএল দ্রুত চালু করার তোড়জোড় শুরু করেছে ফেডারেশন। শনিবার আবার একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলিকে। জানতে চাওয়া হয়েছে, কোন মাঠকে নিজের ঘরের মাঠ হিসাবে তারা বেছে নেবে। ক্লাবগুলির থেকে উত্তর পেলে তার ভিত্তিতে বেশ কিছু কাজ করবে ফেডারেশন। পাশাপাশি, ২৪ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা বাজেটের মধ্যে কোথায় কত টাকা খরচ করা হবে, তারও একটি হিসাব দেওয়া হয়েছে।

কোন মাঠে ঘরের ম্যাচ খেলবে, তা ক্লাবগুলির থেকে জানতে চেয়েছে ফেডারেশন। আগামী ১২ জানুয়ারি, দুপুর ১২টার মধ্যে উত্তর দিতে হবে। সকলের থেকে উত্তর পেলে কী ভাবে আইএসএল আয়োজন করা হবে তার খসড়া তৈরি করা হবে। সম্প্রচার এবং বাণিজ্যিক সহযোগী খোঁজার কাজও শুরু হবে। পাশাপাশি এএফসি-কে তাদের আয়োজিত প্রতিযোগিতা খেলতে দেওয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানোও হবে।

ফেডারেশন জানিয়েছে, আগামী আইএসএল আয়োজনের জন্য তারা সরাসরি ১০ শতাংশ টাকা দেবে। বাকি ৩০ শতাংশ আসবে বাণিজ্যিক সহযোগীর থেকে পাওয়া অর্থ থেকে। ফলে আনুমানিক ২৫ কোটি টাকা বাজেটের ৪০ শতাংশ দেবে ফেডারেশন। বাকি খরচ ক্লাবেদের।

ফেডারেশনের আশা, ঘরের মাঠে ক্লাবগুলি বেশির ভাগ খেলার ফলে টিকিট বিক্রি থেকে ক্লাবগুলির ঘরে অর্থ আসবে। ক্লাবের বাণিজ্যিক উন্নতিও হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে তারা। যদিও কলকাতা, কেরল, বেঙ্গালুরু, গোয়া বাদে বাকি শহরে মাঠভর্তি লোক খেলা দেখতে আসেন না। সেই শহরের ক্লাবগুলির অর্থের জোগান কোথা থেকে আসবে তা নিয়ে ধোঁয়াশাই রয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে ফেডারেশন জানিয়েছে, প্রশাসনিক কাজের জন্য দু’কোটি ৪০ লক্ষ টাকা খরচ হবে। পুরস্কারমূল্য ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা। সম্প্রচার বাবদ ৯ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ধরা হয়েছে। ম্যাচ আধিকারিকদের বেতন বাবদ ২ কোটি ১১ লক্ষ টাকা, ডোপিং বিরোধী কার্যকলাপ এবং আইনি সহায়তা বাবদ ১ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা, ডিজিটাল এবং মার্কেটিং বাবদ ২ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা ধরা হয়েছে।

ফেডারেশনের প্রস্তাবে অবনমন হওয়া ক্লাবগুলিকে আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে প্যারাশুট পেমেন্টের বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। সেই খাতে কোনও বরাদ্দ হয়নি। ফলে আগামী মরসুমে অবনমন হবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। একই ভাবে, যুব লিগের জন্য কোনও বরাদ্দ রাখা হয়নি।

AIFF ISL 2026
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy