প্রথম পর্বের ম্যাচ ১-১ ড্র হওয়ার পর অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। দ্বিতীয় পর্বে সেই সমর্থকদের চিন্তা দূর করে দিল বার্সেলোনা। নিউক্যাসলকে ৭-২ গোলে হারিয়ে তারা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেল। গালাতাসারেকে ৪-০ হারিয়ে শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করেছে লিভারপুলও।
ক্যাম্প ন্যুতে বার্সা-ঝড়
ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে ফেরার পর থেকেই অন্য ছন্দে রয়েছে বার্সেলোনা। আটটি ম্যাচ খেলে আটটিতেই জিতেছে তারা। নিউক্যাসলের বিরুদ্ধে সাত গোল বৃহত্তম জয়। ছ’মিনিটেই বার্সেলোনাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন রাফিনহা। কয়েক মিনিট পর সমতা ফেরান অ্যান্টনি এলাঙ্গা। প্রথমার্ধে মার্ক বার্নালের গোলে আবার এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। আবার সমতা ফেরান এলাঙ্গা। সংযুক্তি সময়ে পেনাল্টি থেকে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন লেমিনে ইয়ামাল।
দ্বিতীয়ার্ধে আর রোখা যায়নি বার্সেলোনাকে। একে একে চার গোল করে তারা। রবার্ট লেয়নডস্কি দু’টি গোল করেন। এ ছাড়া ফারমিন লোপেজ় এবং রাফিনহা নিজের দ্বিতীয় গোল করেন।
লিভারপুলের জয়
চলতি মরসুমে দু’বার গালাতাসারের
বিরুদ্ধে খেলে দু’বারই হেরেছিল লিভারপুল। ইস্তানবুলে গিয়ে প্রথম পর্বে হেরেছিল ০-১
গোলে। ঘরের মাঠে তুরস্কের ক্লাবকে দাঁড়াতে দিল না তারা। প্রথমার্ধে ডোমিনিক
সোবোজ়লাইয়ের গোলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। দ্বিতীয়ার্ধে মহম্মদ সালাহের পাস থেকে গোল
করেন হুগো একিতিকে এবং রায়ান গ্রাভেনবার্চ। সালাহ নিজে একটি গোল করেছেন এবং একটি
পেনাল্টি নষ্ট করেছেন।
আরও পড়ুন:
অন্যান্য ম্যাচে, বায়ার্ন মিউনিখ ৪-১ গোলে হারিয়েছে আটালান্টাকে। সব মিলিয়ে ১০-২ জিতল তারা। হ্যারি কেন জোড়া গোল করেছেন। টটেনহ্যাম ৩-২ গোলে হারিয়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদকে। তবে সব মিলিয়ে ৫-৭ ফলে হেরে ছিটকে গিয়েছে।
কোয়ার্টারের সূচি
রিয়াল মাদ্রিদ বনাম বায়ার্ন মিউনিখ (৭ এবং ১৫ এপ্রিল)
স্পোর্টিং লিসবন বনাম আর্সেনাল (৭ এবং ১৫ এপ্রিল)
বার্সেলোনা বনাম আতলেতিকো মাদ্রিদ (৮ এবং ১৪ এপ্রিল)
প্যারিস সঁ জরমঁ বনাম লিভারপুল (৮ এবং ১৪ এপ্রিল)