Advertisement
E-Paper

বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঠ নিয়ে প্রশ্ন! নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের ঘাস নিয়ে খুশি নন কোচ-ফুটবলার কেউই, অভিযোগ মানছেই না ফিফা

আগামী ১৯ জুলাই বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল হতে চলেছে নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের মাঠে। ইতিমধ্যেই সেই মাঠে গ্রুপ পর্বের দু’টি ম্যাচ হয়েছে। তবে মাঠ নিয়ে কোচ থেকে ফুটবলার কেউই খুশি হতে পারছেন না। সমস্যা কোথায়?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ২১:০৬
sports

এই মাঠেই হবে বিশ্বকাপ ফাইনাল। ছবি: রয়টার্স।

আগামী ১৯ জুলাই বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল হতে চলেছে নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের মাঠে। ইতিমধ্যেই সেই মাঠে গ্রুপ পর্বের দু’টি ম্যাচ হয়েছে। তবে মাঠ নিয়ে কোচ থেকে ফুটবলার কেউই খুশি হতে পারছেন না। মাঠের ঘাসের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। অনেকেরই দাবি, ঘাস দ্রুত শক্ত হয়ে যাচ্ছে। ফলে চোট পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে। ইতিমধ্যেই ব্রাজ়িলের ভিনিসিয়াস, ফ্রান্সের আদ্রিয়েন হাবিয়ো, কোচ দিদিয়ের দেশঁরা মুখ খুলেছেন।

এমনিতেই মাঠের পরিচর্যা নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরেই প্রচুর কর্মী মাঠ পরিচর্যা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি ঠিক করা, ঘাস নতুন করে বসানো, ঘাসের মাপ ঠিক রাখা— বিভিন্ন কাজ করতে দেখা গিয়েছে তাঁদের।

তা সত্ত্বেও ঘাস নিয়ে অভিযোগ উঠছে। প্রথম বার প্রশ্ন তোলে ব্রাজ়িল। মরক্কো ম্যাচ হওয়ার পর ভিনিসিয়াস জানান, এই মাঠে দলের ছন্দ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “আবহাওয়া এবং গরমের কারণে ঘাস দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে খেলা মন্থর হয়ে যাচ্ছে। আমরা ছন্দ গড়ে তুলতে পারছি না। এতে কাজ কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আমরা ভাল খেলতে চাই। অনায়াসে মাঠের এক দিক থেকে আর এক দিকে বল নিয়ে যেতে চাই। সেটা হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। মনে হয় গোটা বিশ্বকাপে মাঠ এ রকমই থাকবে। সকলকে এই ঘাসেই খেলতে হবে।”

তিন দিন পর দেশঁও একই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। মনে হয় ঘাসের নীচে সিমেন্ট রয়েছে। খুব ছোট আকারের ঘাস দেখলাম। আমাদের খেলায় পরিবর্তন আনতে হবে এবং এ ধরনের বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে হবে।”

হাবিয়ো আরও একটু সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “এই মাঠ দেখে কী বলব বুঝতে পারছি না। মনে হচ্ছিল কৃত্রিম ঘাসের মাঠের খেলছি। খুব শক্ত এবং শক্তিশালী। তবে সব দলকেই এই মাঠে খেলতে হবে। মানিয়ে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। পরের ম্যাচগুলোয় ভাল মাঠ পাওয়ার আশা রাখি।”

ফিফা অবশ্য এই অভিযোগ মানছে না। তারা একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, বছরের পর বছর পরিশ্রম করে এই মাঠ তৈরি করা হয়েছে। তারা লিখেছে, “পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে প্রচুর পরিশ্রম, গবেষণা, পরীক্ষা এবং উদ্ভাবন করে এই মাঠ বানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞ, স্টেডিয়াম পরিচালক এবং ফুটবলারদের সাহায্য নেওয়া হয়েছে, যাতে সেরা মানের মাঠ উপহার দেওয়া যায়। ১৬টি স্টেডিয়ামে অসামান্য গুণমানের মাঠ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।”

সংক্ষেপে
  • ১১ জুন থেকে শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপ। চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। এ বারই প্রথম ৪৮টি দেশকে নিয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন করছে ফিফা।
  • ফুটবল বিশ্বকাপ হচ্ছে তিনটি দেশে। আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকো বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। তিনটি দেশে আলাদা আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে ফিফা।
  • বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ হয়েছে অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে। ১১ জুন মেক্সিকোর বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ।
সর্বশেষ
১ ঘণ্টা আগে
new york Vinicius Jr Didier Deschamps
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy