অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে অপ্রত্যাশিত হারের পর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মহিলাদের দ্বিতীয় বাছাই ইগা শিয়নটেক। ম্যাচের পর সাংবাদিক বৈঠকে ছ’টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিকের প্রশ্ন, টেনিস খেলোয়াড়েরা কি চিড়িয়াখানার পশু?
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে সর্বক্ষণ খেলোয়াড়দের উপর নজর রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ শিয়নটেকের। খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পরিসরে কর্তৃপক্ষ ঢুকছেন বলে অভিযোগ করেছেন। শিয়নটেক বলেছেন, ‘‘বুঝতে পারছি না, আমরা টেনিস খেলোয়াড় না চিড়িয়াখানার পশু। যাদের সব সময় চোখে চোখে রাখা হয়। এমনকি শৌচালয়ে গেলেও!’’ এর পর কটাক্ষের সুরে পোলিশ খেলোয়াড় বলেছেন, ‘‘হয়তো একটু বেশি বলে ফেললাম। তবে কিছু বিষয় ব্যক্তিগত থাকা ভাল। নিজের মতো করে কিছু করার সুযোগ থাকা উচিত। সব কিছু সারা বিশ্বকে দেখানোর প্রয়োজন নেই।’’
কয়েক দিন আগেও শিয়নটেক বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। পরিচয়পত্র সঙ্গে না থাকায় তাঁকে মেলবোর্ন পার্কে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সেই ঘটনার ভিডিয়োও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তা নিয়ে শিয়নটেক বলেছেন, ‘‘আমরা টেনিস খেলোয়াড়। আমাজের কাজ টেনিস খেলা। কোর্টে এবং সাংবাদিক বৈঠকে আমরা মানুষের নজরে থাকি। থাকতে হয়। তার মানে পরিচয়পত্র আনতে ভুলে যাওয়া নিয়েও মিম তৈরি করা হবে!’’
খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পরিসরে নজরদারি নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন কোকো গফও। তৃতীয় বাছাই আমেরিকার খেলোয়াড় কোয়ার্টার ফাইনালে হারার পর স্টেডিয়ামের ভিতরে গিয়ে হতাশায় র্যাকেট ভেঙে ফেলেন। তার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন গফ। তিনি বলেন, ‘‘এমন জায়গায় গিয়ে হতাশায় র্যাকেট ভেঙেছিলাম, সেখানে কেউ ছিল না। ক্যামেরা নেই বলে ভেবেছিলাম। কিন্তু দেখলাম, সেটাও সম্প্রচার করা হয়েছে। খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত গোপনীয় বলে কিছুই নেই এখানে।’’
বুধবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে পঞ্চম বাছাই এলিনা রিবাকিনার কাছে হেরেছেন শিয়নটেক।ম্যাচের ফল তাঁর পক্ষে ৫-৭, ১-৬।