হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচে জয় এসেছে। সোমবার কলকাতা ঘরের মাঠে খেলতে নামছে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে। এমনিতে ঘরের মাঠ যে কলকাতার কাছে পয়া, এমনটা বলার উপায় নেই। এখানে হারতে হয়েছে হায়দরাবাদ এবং চেন্নাইয়ের বিপক্ষে। পঞ্জাব পয়েন্ট তালিকায় সামান্য উপরে থাকলেও, আগের ম্যাচের মতো পারফরম্যান্স উপহার দিতে পারলে সোমবার দু’পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারে নীতীশ রানার দল।
কলকাতার কাছে এখন বাকি সবক’টি ম্যাচই ফাইনাল। তাই সোমবার পঞ্জাব কিংস ম্যাচও কোনও ব্যতিক্রম নয়। দশটি ম্যাচের মধ্যে মাত্র চারটিতে জিতেছে তারা। প্লে-অফে খেলতে গেলে অন্তত ১৬টি পয়েন্ট পেতে হবে। সে ক্ষেত্রে কলকাতার বাকি ম্যাচগুলি জেতা ছাড়া কোনও উপায় নেই। কলকাতার পক্ষে আশার কথা, বাকি চারটি ম্যাচের তিনটিই ঘরের মাঠে। তার প্রথমটি পঞ্জাবের বিরুদ্ধে।
দল নির্বাচন নিয়ে কলকাতাকে যেমন ভাবতে হবে, তেমনই পঞ্জাবেরও চিন্তার কারণ রয়েছে। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে দু’শো রান তুলেও হারতে হয়েছে। কলকাতার থেকে পয়েন্টের বিচারে সামান্য এগিয়ে রয়েছে তারা। আর একটি ম্যাচ হারা মানে তাদের কাছেও প্লে-অফের স্বপ্ন অধরা থেকে যাবে। শিখর ধাওয়ানের নেতৃত্বাধীন দল তাই অঘটন ঘটাতে তৈরি।
শক্তির বিচারে কলকাতাকে টেক্কা দিতে পারে এমন ক্রিকেটার পঞ্জাবের হাতে নেই। ফলে যে ক্রিকেটাররা হায়দরাবাদকে হারাতে ভূমিকা নিয়েছেন, তাঁরাই অনায়াসে পঞ্জাবকেও হারাতে পারেন। শুধু দরকার ঠিক সময়ে তাঁদের জ্বলে ওঠাটা। কলকাতার এ বারের অন্যতম বড় সমস্যা ধারাবাহিকতা। সেটা ঠিক থাকলে আর কোনও বিষয়ে তাঁদের মাথা ঘামাতে হবে না।
আরও পড়ুন:
জোরে বোলিং বিভাগ এখনও কলকাতাকে চিন্তায় রেখেছে। আগের ম্যাচেও মার খেয়েছেন তাঁরা। ঘরের মাঠে স্পিনশক্তির উপর কলকাতা ভরসা করলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। সে ক্ষেত্রে বরুণ চক্রবর্তী, সুযশ শর্মা এবং অবশ্যই নারাইনকে ভূমিকা নিতে হবে। অধিনায়ক নীতীশ রানাও ভাল বল করেন। আচমকা ফাটকা হিসাবে বোলিং করে বিপক্ষ দলকে চমকে দিয়ে সাফল্য পেতে পারেন।
সব মিলিয়ে, পঞ্জাবের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া কলকাতা আর কিছুই ভাবছে না। অনুশীলনেও ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষা সেটাই বলে দিচ্ছে। প্রত্যেকেই ঐক্যবদ্ধ।