Advertisement
E-Paper

খেলে উঠে ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ পেলেন ইয়াইয়া, কোলো

দুই ভাই ইয়াইয়া ও কোলো যখন আইভরি কোস্টের জার্সি গায়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন তাঁদের ছোট ভাই ইব্রাহিম মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। শেষ পর্যন্ত সেই লড়াইয়ে হার মানতে হল ২৮ বছরের ইব্রাহিমকে। মারণ ক্যানসার যাঁকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছিল। খেলার শেষে মাঠ ছাড়ার পর সেই খবর পেলেন দু’ভাই।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২১ জুন ২০১৪ ০৪:০৬
আইভরি কোস্টের প্র্যাক্টিসে শোকার্ত দুই ভাই ইয়াইয়া ও কোলো।

আইভরি কোস্টের প্র্যাক্টিসে শোকার্ত দুই ভাই ইয়াইয়া ও কোলো।

দুই ভাই ইয়াইয়া ও কোলো যখন আইভরি কোস্টের জার্সি গায়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন তাঁদের ছোট ভাই ইব্রাহিম মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। শেষ পর্যন্ত সেই লড়াইয়ে হার মানতে হল ২৮ বছরের ইব্রাহিমকে। মারণ ক্যানসার যাঁকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছিল। খেলার শেষে মাঠ ছাড়ার পর সেই খবর পেলেন দু’ভাই।

বৃহস্পতিবার রাতে খবরটা প্রথম দুই ভাইয়ের কাছে পৌঁছয় আইভরিয়ান ফুটবল ফেডারেশন। ফুটবল দুনিয়ার কাছেও খবরটা পৌঁছে দেয় তারাই। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, “কোলো ও ইয়াইয়া তাঁদের ভাইয়ের মৃত্যুর খবর কিছুক্ষণ আগেই শুনেছেন। তোরে ওয়ালা ইব্রাহিম। আইভরি কোস্ট দলের সবাই ওঁদের পাশে রয়েছেন।”

ইব্রাহিমও ফুটবল খেলতেন। লেবাননের প্রিমিয়ার লিগ ক্লাব আল সাফা এসসি-র হয়ে। ক্যানসার ধরা পড়ার পর থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে নিয়মিত কেমোথেরাপি নিতেন তিনি। বড়দা ইয়াইয়া যেহেতু ম্যাঞ্চেস্টার সিটিতে খেলেন, তাই ছোট ভাইকে ওই শহরে রেখেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন। ভাইকে নিয়মিত দেখতেও আসতেন তিনি। সেই ম্যাঞ্চেস্টারেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ইব্রাহিম। আইভরি কোস্ট দলে থাকা তাঁর আর এক ভাই কোলো খেলেন ইপিএল ক্লাব লিভারপুলের হয়ে। ইয়াইয়ার ক্লাব সতীর্থ বেলজিয়াম অধিনায়ক ভিনসেন্ট কোম্পানিও তাই এই খবর পেয়ে টুইটারে লেখেন, “ইব্রাহিমকে হারানোর জন্য তোরে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। এই সংবাদ আমাদের সবার কাছেই বেশ দুঃখজনক।” ম্যান সিটিও ইব্রাহিমের মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

প্রয়াত ওয়ালা ইব্রাহিম তোরে।

দিন কয়েক আগে দলের ক্যাপ্টেন সেরি ডাইয়ের জীবনেও এমনই এক দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছিল বলে রয়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। বৃহস্পতিবার কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় টিভিতে তাঁকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় রটে যায়, কয়েক দিন আগেই বাবাকে হারানোর দুঃখ এই কান্নার কারণ। ডাই অবশ্য সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে দিয়ে খেলার শেষে মন্তব্য করেন, “আমি বরাবরই খুব আবেগপ্রবণ। জীবনে বহু কঠিন সময় পেরিয়ে এসেছি। দেশের হয়ে খেলার সুযোগ পাওয়াটা আমার কাছে তাই খুব আবেগের বিষয়। আমার বাবা মারা গিয়েছেন ২০০৪-এ। জাতীয় সঙ্গীতের সময় তাঁর কথা যেমন মনে পড়ছিল। আমার লড়াইয়ের দিনগুলোর কথাও মনে পড়ছিল। সে জন্যই নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি।”

ছবি: এএফপি।

fifaworldcup
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy