• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ফের বিতর্কিত ভিডিয়ো, ঋতব্রতর পরে শাস্তির মুখে সিপিএমের দুই যুব নেতা

CPIM
সৌম্যজিৎ রজক এবং কৌস্তভ চট্টোপাধ্যায়। ফাইল চিত্র।

সংসদে বক্তৃতার জন্য এক সময়ে বিরোধীদেরও প্রশংসা কুড়িয়েছেন সিপিএমের রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে একটি ভিডিয়ো ফুটেজ সামনে আসতেই সব যেন লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল। এখন তিনি বহিষ্কৃত। 

সেই তালিকায় আরও দু’টি নাম কি যুক্ত হতে চলেছে? প্রথম জন এক সময়ে ঋতব্রতরই সহযোদ্ধা। বর্তমানে সিপিএমের কলকাতা জেলা কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কৌস্তভ চট্টোপাধ্যায়। তবে ঋতব্রতর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর তাঁর বিরুদ্ধে যাঁরা দলের অভ্যন্তরে সরব হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে কৌস্তভও ছিলেন। 

কৌস্তভের বিরুদ্ধেও এমনই একটি ভিডিয়ো জমা পড়েছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে। এই ভিডিয়ো জমা পড়তেই সিপিএমের অন্দরে শোরগোলও পড়ে গিয়েছে।

দ্বিতীয় জন, কলকাতা জেলা কমিটির আর এক নেতা সৌম্যজিৎ রজক। কৌস্তভের মতো সৌম্যজিৎ রজকও ছাত্র রাজনীতিতে পরিচিত নাম হয়ে উঠছিলেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সময় ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। এই দুই তরুণ নেতার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখে দল তাঁদের শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে ‘সাসপেন্ড’ করার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। আগামী ১৫ নভেম্বর কলকাতা জেলা কমিটিতেই এ বিষয়ে ঘোষণা হওয়ার কথা।

আরও পড়ুন: উচ্চশিক্ষায় শিক্ষক-শিক্ষিকা পিছু ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৪৪!

এর পর একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে। তিন মাস পর তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়বে কমিশনে। সেখানে যদি দেখা যায়, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ভিত্তি নেই, তা হলে সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

এই তালিকায় আরও কয়েক জনের নাম রয়েছে। তাঁদের মধ্যে এক জন নির্বাচনেও দাঁড়িয়েছিলেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছিলেন কৌস্তভ। ৬০ হাজার থেকে ভোটের ব্যবধান কমিয়ে প্রায় ৯ হাজারে নামিয়ে এনেছিলেন তিনি। এলাকায় জনসংযোগের উপর জোর দিয়েছিলেন সম্প্রতি। এমনও শোনা গিয়েছিল, কলকাতা (দক্ষিণ) লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে চলেছেন। লোকসভা ভোটের মাত্র কয়েক মাস বাকি। এরই মধ্যে তিনি সাসপেন্ড হলে জোর ধাক্কা খাবে কৌস্তভের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ।

আরও পড়ুন: বিরোধীদের দল ভাঙাতে কমিটি বিজেপির

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিষয়টি সামনে আসার পর আলিমুদ্দিন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হয়নি। ওই দুই তরুণ নেতার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত হলে, তাঁদের বহিষ্কার করা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে খবর। এ বিষয়ে কৌস্তভের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি শুধু বলেন, “আমি কিছু জানি না।” আর এক অভিযুক্ত সৌম্যজিৎ রজককে  মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘‘আমি এ সব বিষয় কিছু জানি না।’’

(বাংলার রাজনীতি, বাংলার শিক্ষা, বাংলার অর্থনীতি, বাংলার সংস্কৃতি, বাংলার স্বাস্থ্য, বাংলার আবহাওয়া - পশ্চিমবঙ্গের সব টাটকা খবর আমাদের রাজ্য বিভাগে।)

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন