দমকলকর্মীদের নিরন্তর চেষ্টায় প্রায় দু’ঘণ্টার পর এক্সাইড মোড়ের বহুতলের আগুন নিয়ন্ত্রণে এল।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ শহরের অন্যতম ব্যস্ত মোড়ের ওই বহুতলের চার তলায় ভয়াবহ আগুন লাগে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে প্রথমে দমকলের ২টি ইঞ্জিন পৌঁছয়। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পরে আরও পাঁচটি ইঞ্জিন পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ দিন সকালে হঠাত্ই ওই বহুতলের চারতলা থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন তাঁরা। মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে। স্থানীয় বাসিন্দারাই দমকলে খবর দেন। ওই বহুতলে বেশ কয়েকটি অফিসও রয়েছে। আগুন লাগার আগে কয়েক জন কর্মী অফিসের ভিতরে ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে তাঁদের নিরাপদে সেখান থেকে নামিয়ে আনা হয়। বহুতলের আশপাশও খালি করে দেওয়া হয়। 

আগুন যাতে অন্যত্র ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেই চেষ্টা চালাতে থাকেন দমকলকর্মীরা। পাশের একটি বহুতল থেকে জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কালো ধোঁয়ায় ভরে যাওয়ায় আগুনের উত্সস্থলে পৌঁছতে পারছিলেন না দমকলকর্মীরা। আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় বহুতলটির একাংশে বড়সড় ফাটল ধরে। প্রবল চাপে একাংশ ভেঙেও পড়ে। দমকল সূত্রে জানানো হয়েছে, কোনও রকম বড় দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে তাই আগেভাগেই লোকজনকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

 

দিল্লি দখলের লড়াইলোকসভা নির্বাচন ২০১৯ 

এক দমকল আধিকারিক জানান, ঘটনার সময় বহুতলের অফিসে গুটি কয়েক লোক থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। যাঁরা বহুতলের ভিতরে ছিলেন তাঁদের প্রত্যেককেই নিরাপদে নীচে নামিয়ে আনা হয়েছে। হতাহতের কোনও খবর নেই। 

দমকল সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, বহুতলের চারতলায় একটি অফিসেই আগুন লেগেছিল। এসিতে শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লেগে যায় বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। 

দিনের ব্যস্ত সময়ে আগুন লাগার ঘটনায় যান চলাচলের উপর প্রভাব পড়ে। চৌরঙ্গি রোডে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।