• রোশনী মুখোপাধ্যায়
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

লোকসভার প্রস্তুতিতে দিলীপ-মুকুল দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

BJP
দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং নির্বাচনী কমিটির আহ্বায়ক মুকুল রায়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। —ফাইল চিত্র।

দু’টি পথ দু’টি দিকে বাঁকা। তাই বিজেপির ভিতরে দ্বন্দ্বও স্পষ্ট! লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি পর্বে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং নির্বাচনী কমিটির আহ্বায়ক মুকুল রায়ের মধ্যে সমঝোতার অভাব প্রকাশ্যে এসে পড়ছে।

বিজেপি সূত্রের খবর, এ রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের প্রতিটি সম্পর্কে ‘তথ্যভাণ্ডার’ তৈরি করছেন মুকুলবাবু। কিন্তু দিলীপবাবুরা মনে করছেন, ওই ‘তথ্যভাণ্ডার’ অপ্রয়োজনীয়। রাজ্য সভাপতির মতে, ‘‘অমিত শাহের সৈন্যসামন্তেরা লোকসভা ভোটের জন্য কেন্দ্রপিছু তথ্যভাণ্ডার অনেক আগে তৈরি করে ফেলেছেন। এখন আর নতুন করে সেটা করার প্রয়োজন নেই।’’ প্রতি জেলায় নির্বাচনী কমিটি তৈরির যে প্রচেষ্টা মুকুলবাবু শুরু করেছেন, মতভেদ দেখা দিয়েছে তা নিয়েও। যেমন, দিলীপবাবুর কথায়, ‘‘জেলা স্তরে নির্বাচনী কমিটি তৈরির কোনও রীতি আমাদের দলে নেই। আমাদের স্থায়ী নির্বাচনী কমিটি আছেই। মুকুলবাবুকে শুধু সেখানে সংযোজকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’’

মুকুলবাবুকে যাঁরা ঘিরে রাখেন, তাঁদের নিয়েও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বিজেপির অন্দরে। দলের একাংশের বক্তব্য, মুকুলবাবুর সঙ্গীরা তাঁর ‘অনুগামী’ হয়েই থেকে যাচ্ছেন। বিজেপির মূল স্রোতে মিশছেন না। এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে দিলীপবাবু বলেন, ‘‘অন্য দল থেকে এসে বিজেপির মতাদর্শ এবং সংস্কৃতি শিখে পদাধিকারী এবং মন্ত্রী হয়েছেন— এমন দৃষ্টান্ত গোটা দেশে প্রচুর আছে। কিন্তু কেউ যদি বিজেপির মতাদর্শ এবং সংস্কৃতি থেকে দূরে থেকে সমান্তরাল ভাবে দল করতে চান, তা হলে তিনি দলের মূল স্রোতে মিশবেন না! তবে সকলেরই মনে রাখা উচিত, বিজেপিতে কেউ কোনও ব্যক্তির অনুগামী হয় না। দলের অনুগামী হয়।’’

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর আঁকা ছবি নিজেদের হেফাজতে নিচ্ছে সিবিআই

মুকুলবাবু অবশ্য দিলীপবাবুদের সঙ্গে সমঝোতার অভাবের কথা মানছেন না। তাঁর বক্তব্য, ‘‘এ সব কথা ঠিক নয়। দিলীপবাবুও এ সব কিছু বলেননি।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন