বিধায়ক খুনের পর থেকেই যে ভাবে সরাসরি বিজেপিকে এর জন্য দায়ী করে আসছে তৃণমূল, সোমবারও তা অব্যাহত রইল। 

এ দিন দুপুরে ফুলবাড়ি গ্রামে নিহত সত্যজিৎ বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন রাজ্য যুব তৃণমূল সভাপতি তথা দলের নদিয়া জেলা পর্যবেক্ষক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সব রকম ভাবে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এই খুনে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া মুকুল রায়ের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এ দিন কারও নাম না করেও অভিষেক বলেন, ‘‘যদি কেউ মনে করে যে খুনে মদত দেব আর দিল্লির নেতাদের পাজামা ধরে ঝুলে বেঁচে যাব, পুলিশমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কলার ধরে শ্রীঘরে ঢোকাব।’’ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের নাম করে তাঁর দাবি, ‘‘উনি মেদিনীপুর আর উত্তর ২৪ পরগনায় বলেছিলেন, অনাথ করে দেবেন। এটা তারই ফল।’’ 

বিকেলে সত্যজিতের বাড়িতে যান তৃণমূলের মতুয়া সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর ও রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। নদিয়া জেলার অগ্রণী মতুয়া নেতা হিসেবে সত্যজিৎ বিজেপির পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছিলেন বলেই তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে তাঁরাও অভিযোগ করেছেন। 

বিজেপির নদিয়া দক্ষিণ জেলা সাংগঠনিক সভাপতি জগন্নাথ সরকার পাল্টা বলেন, ‘‘ওরা যে আমাদের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে, তা সকলেই জানে। চিরকাল ওরা এ ভাবে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করে এসেছে। জেনে রাখুন, বিজেপি খুনের রাজনীতি করে না।’’