আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। তার পরেই বহু প্রতীক্ষার ভাঁজ করা আইফোন বাজারে আনবে অ্যাপ্ল। সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের কী নাম রাখবে মার্কিন টেক জায়ান্ট? ইতিমধ্যে তা নিয়ে দুনিয়া জুড়ে তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা। ব্যবহারকারীদের বড় অংশের অনুমান, ওই ব্র্যান্ডের নাম হবে ‘আইফোন ফোল্ড’। যদিও গ্যাজ়েট বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ অন্য পরিকল্পনা রয়েছে অ্যাপ্লের।
স্মার্টফোনের বাজারে মার্কিন টেক জায়ান্টটির অন্যতম বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হল স্যামসাং। ইতিমধ্যেই ‘ফোল্ডেবল’ ফোন গ্রাহকদের হাতে তুলে দিয়ে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে তারা। এই পরিস্থিতিতে ভাঁজ করা আইফোনকে জনপ্রিয় করে তোলা অ্যাপ্লের জন্য বেশ বড় চ্যালেঞ্জ। ফলে নাম থেকে শুরু করে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে বেশ কিছু বাড়তি চমক যে তারা রাখবে, তা বলাই বাহুল্য।
সূত্রের খবর, ভাঁজ করা ডিভাইসটির নাম আইফোন আল্ট্রা রাখতে পারে অ্যাপল। এর ডিসপ্লে তৈরির ভার দক্ষিণ কোরিয় সংস্থা তথা প্রতিদ্বন্দ্বী স্যামসাংকেই দিয়েছে তারা। এ বছরের গোড়ায় একটি অনুষ্ঠানে যার নমুনা প্রথমবার প্রকাশ্যে আনে সংশ্লিষ্ট মার্কিন টেক জায়ান্ট। শুধু তা-ই নয়, প্রযুক্তিগত দিক থেকে আইফোন আল্ট্রায় একগুচ্ছ বদল তারা আনতে চলেছে বলেও জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, অ্যাপ্লের বৈশিষ্ট্য হল প্রতিটা ডিভাইসে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহার। আইফোনে থাকে আইওস। এতোদিন এই প্রযুক্তি কোনও ভাঁজ করা ডিভাইসে ব্যবহার করেনি মার্কিন টেক জায়ান্ট। বিশ্লেষকদের দাবি, সেই কারণেই আইফোন আল্ট্রাকে বাজারে আনতে এতোটা দেরি করছে তারা। চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দুর্দান্ত সাফল্য না পাওয়া পর্যন্ত এই ডিভাইসে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে বলেই জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
বিশেষজ্ঞদের অনুমান, আইফোন আল্ট্রায় সর্বাধুনিক আইওস-২৭ প্রযুক্তি ব্যবহার করবে অ্যাপ্ল। ফোনটি ভারতের বাজারে এলে এর দাম ১.৮৩ লক্ষ টাকা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। যা এ বছরের সেপ্টেম্বরে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। যদিও আনুষ্ঠানিক ভাবে এ ব্যাপারে কোনও বিবৃতি দেয়নি সংশ্লিষ্ট মার্কিট টেক জায়ান্ট।