Advertisement
E-Paper

গতি থেকে ফাস্ট চার্জিং, সঙ্গে ডিস্ক ব্রেক, কোন পাঁচটি বিষয় মাথায় রেখে কেনা উচিত সাধের বৈদ্যুতিন স্কুটার?

শুধুমাত্র পাল্লা আর দাম দেখে বৈদ্যুতিন স্কুটার কেনা, নৈব নৈব চ। তাতে কিন্তু ঠকে যাওয়ার রয়েছে প্রবল আশঙ্কা। ব্যাটারিচালিত দু’চাকার গাড়ি কেনার সময় পাঁচটি বিষয় মাথায় রাখতে বলছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪৯
Representative Picture

—প্রতীকী চিত্র।

কলকাতা থেকে শহরতলি, দিন দিন বাড়ছে বৈদ্যুতিন স্কুটারের চাহিদা। বর্তমানে অনেকেই শুধুমাত্র পাল্লা আর দাম দেখে কিনছেন দু’চাকার ব্যাটারিচালিত গাড়ি। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এ ব্যাপারে আরও কয়েকটা বিষয় মাথায় রাখা দরকার। নইলে কিন্তু ডাহা ঠকে যেতে পারেন গ্রাহক। আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল সেগুলির হদিস।

বৈদ্যুতিন স্কুটার কেনার ক্ষেত্রে প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে ব্যাটারির শক্তি। এ ব্যাপারে বিক্রেতাদের মধ্যে ভুয়ো তথ্য দেওয়ার একটা প্রবণতা রয়েছে। অধিকাংশ নির্মাণকারী সংস্থার দাবি, এক বারের চার্জে ৮০-১০০ কিলোমিটার যাবে ব্যাটারিচালিত দু’চাকার যান। যদিও বাস্তবে প্রায় কখনওই মেলে না এই পরিসংখ্যান। কারণ, রাস্তার যানজট, স্কুটারে ক’জন চড়েছেন এবং গন্তব্যে পৌঁছোতে চালক ক’বার ব্রেক দিলেন, তার উপর এই ‘মাইলেজ’ পুরোপুরি নির্ভরশীল।

বৈদ্যুতিন স্কুটারগুলিতে বিভিন্ন ধরনের ব্যাটারি ব্যবহার হয়ে থাকে। সাধারণত, এর বেসিক মডেলে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রমের শক্তিসম্পন্ন ব্যাটারি পাবেন গ্রাহক। তবে পাল্লা ৬০ কিলোমিটার বা তার বেশি চাইলে ব্যবহারকারীকে খরচ করতে হবে অনেকটা বেশি টাকা। কারণ, সে ক্ষেত্রে অতিশক্তিশালী ব্যাটারি থাকবে সংশ্লিষ্ট দু’চাকার যানে।

Advertisement

বৈদ্যুতিন স্কুটারের ব্যাটারির ফুল চার্জ হতে গড়ে চার থেকে আট ঘণ্টা সময় লাগে। এখনও কলকাতা-সহ দেশের প্রতিটি রাস্তায় চার্জিং স্টেশন গজিয়ে উঠেছে এমনটা নয়। ফলে কেনার সময় দু’চাকার গাড়িটিতে ফাস্ট চার্জিংয়ের সুবিধা আছে কি না, দেখে নেওয়া ভাল। পাশাপাশি, এর জন্য বাড়িতে আলাদা চার্জিং পয়েন্ট তৈরি করা উচিত।

ব্যাটারিচালিত স্কুটারের গতি নির্ভর করে মোটরের শক্তির উপর। বিশেষজ্ঞদের দাবি, শহরাঞ্চলে সেটা অন্তত ঘণ্টায় ৪০-৬০ কিলোমিটার হওয়া উচিত। তবে পাহাড় বা মালভূমি এলাকায় মোটরকে আরও শক্তিশালী হতে হবে। যন্ত্রটির শক্তি বুঝতে এর ওয়াট পরীক্ষা করতে পারেন গ্রাহক। সমতল এলাকার জন্য ২৫০ ওয়াটের মোটরে দিব্যি চলবে স্কুটার। এই অঙ্ক হাজার ওয়াট হলে বুঝতে হবে সংশ্লিষ্ট স্কুটারের মোটর বেশ শক্তিশালী।

এ ছাড়া বৈদ্যুতিন দু’চাকার গাড়ি কেনার সময় ‘ডিস ব্লেক’-এর উপর জোর দিতে পারেন ব্যবহারকারী। পাশাপাশি, সাসপেনশন, টায়ার এবং আইপি রেটিংয়ের উপরেও গ্রাহকদের নজর রাখতে বলেছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এ দেশের বহু শহর এবং শহরতলিতে সামান্য বৃষ্টিতেও জল জমে। ফলে সাধের বৈদ্যুতিন স্কুটারের কতটা ‘ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট’ ক্ষমতা রয়েছে, সেটাও জানতে হবে তাঁদের।

বৈদ্যুতিন স্কুটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ হল ব্যাটারি। এটা বদলানোর খরচ যথেষ্ট বেশি। আর তাই ৩-৫ বছরের ন্যূনতম ওয়্যারেন্টি যুক্ত ব্যাটারির স্কুটার কেনাই ভাল। তা ছাড়া বাড়ির আশপাশে এর সার্ভিস সেন্টার আছে কি না, তাও দেখে নেওয়া উচিত। স্কুটারের গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার হলে, এর জন্য লাগবে না কোনও লাইসেন্স। তবে গতি তার চেয়ে বেশি হলে লাইসেন্সের পাশাপাশি অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে সংশ্লিষ্ট বৈদ্যুতিন গাড়ির।

EVS Electric Bike
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy