Advertisement
E-Paper

গতি এখানে থমকে যায়, পাহাড়, নদী হাতছানি দেয়, গরমে ভ্রমণ হোক ছত্তীসগঢ়ের অজানা শৈলশহরে

চেনা ছকের বাইরে গরমে ভ্রমণ হোক অন্য ভাবে, অন্য কোথাও। খুঁজলে এমন অচেনা অনেক জায়গাই পাওয়া যাবে, যা পর্যটন মানচিত্রে জুড়ে ফেলা যায়। তালিকায় থাক শৈলশহর চিরমিরী।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ মে ২০২৬ ১১:৫২
গরমে চেনা ছকের বাইরে হোক ভ্রমণ।  ছত্তীসগঢ়ে লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছে ছবির মতো সুন্দর শৈলশহর।

গরমে চেনা ছকের বাইরে হোক ভ্রমণ। ছত্তীসগঢ়ে লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছে ছবির মতো সুন্দর শৈলশহর। ছবি: সংগৃহীত।

হিমাচল প্রদেশ, কাশ্মীর, উত্তরাখণ্ড নয়। খোঁজ করলে কলকাতা থেকে খুব দূরে নয়, পড়শি রাজ্যগুলিতে উঁকি দিলে মিলবে এমন অনেক শৈলশহর, যা এখনও পর্যটন মানচিত্রে অবহেলিত। অথচ প্রকৃতির রূপ সেখানে উজাড় করা। ঝাঁ-চকচকে হোটেল-রিসর্ট নেই বটে, কিন্তু আছে পাহাড়-নদীর মন ভাল করা সৌন্দর্য।

তালিকায় রাখুন অমৃতধারা ঝর্না।

তালিকায় রাখুন অমৃতধারা ঝর্না।

এই গরমে একটু অন্য রকম জায়গার সন্ধান থাকলে গন্তব্য হোক চিরমিরী। ছত্তীসগঢ়ের একটি মনোরম শৈলশহর চিরমিরী। জেলার নাম মনেন্দ্রগঢ়-চিরমিরী-ভরতপুর। এই জেলা দিয়েই বয়ে গিয়েছে হাসদেও নদী। রয়েছে পাহাড়। হিমালয়ের মতো সুউচ্চ না হলেও, চিরমিরীর সৌন্দর্য মোটেই পর্যটকদের হতাশ করবে না।

ঝর্না, নদী, পাহাড়, গ্রাম, উজাড় করা প্রকৃতির সান্নিধ্য মিলবে এই শহরের আনাচ-কানাচে। জীবন যেন এখানে গতিহীন। যদিও, তারও নিজস্ব একটা ছন্দ রয়েছে। চিরমিরী ছোট জায়গা হলেও, এখানে রয়েছে একাধিক মন্দির। আছে মন ভাল করে দেওয়ার মতো ঝর্না। আছে, নির্যস প্রকৃতি।

মন্দিরভ্রমণ তালিকায় রাখতে পারেন জগন্নাথ মন্দির, পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত কালীমন্দির। পাহাড়ের মাথায় এক বার চড়তে পারলে দৃশ্যমান হয় দূর-দূরান্ত।

পাহাড়ের মাথায় রয়েছে সিদ্ধ বাবার মন্দির। পাহাড়ের রাস্তা এবং উপর থেকে আশপাশ দেখায় খুব সুন্দর।

পাহাড়ের মাথায় রয়েছে সিদ্ধ বাবার মন্দির। পাহাড়ের রাস্তা এবং উপর থেকে আশপাশ দেখায় খুব সুন্দর। ছবি:সংগৃহীত।

এমসিবি জেলায় রয়েছে সিদ্ধ বাবা পাহাড়। সূর্যোদয়, কিংবা সূর্যাস্তের সময় এই পথে গাড়ি ছোটালে মুছে যাবে সমস্ত ক্লান্তি। রাস্তার পাশে ছোট ছোট পাহাড়। গাছগাছালির ফাঁক দিয়ে যখন নরম রোদ্দুর এসে পড়ে, ভরে যায় চরাচর, মনে হতে পারে এ এক অপার্থিব সৌন্দর্য।পাহাড়ের মাথায় সিদ্ধ বাবার মন্দির।

পাহাড়ি পথে গাড়ি ছোটালে অরণ্যের আরও গহীনে পৌঁছোনো যায়। সেখানেই অপেক্ষা করে থাকে ছোট-বড় ঝর্না। মনেন্দ্রগড় শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে রয়েছে অমৃতধারা জলপ্রপাত। হাসদেও নদীর উপরে অবস্থিত। এ ছাড়াও ঘুরে নিতে পারেন রামদহ ঝর্না, ফসিল পার্ক।

কী ভাবে যাবেন?

হাওড়া বা শালিমার থেকে ট্রেনে বিলাসপুর বা অনুপপুর জংশন হয়ে চিরমিরী যেতে হবে। বিলাসপুর থেকে সড়কপথে শৈলশহরটির দূরত্ব ১৭৯ কিলোমিটার। অনুপপুর জংশন থেকে দূরত্ব প্রায় ৯৬ কিলোমিটার।

থাকার জায়গা

কয়লা খনি এলাকা বলে এখানে ইসিএলের কয়েকটি গেস্ট হাউস আছে। বেশ কিছু হোটেলও পাবেন থাকার জন্য।

Offbeat Travel Destinations Chhattisgarh
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy