ইউটিউবের ভিডিয়ো থেকে শিখে পাঁচ বছরে ১৪ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ১২ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা) রোজগার করে ফেললেন এক তরুণ। ইউটিউবের মাধ্যমে ভিডিয়ো এডিটিং শিখে ভিডিয়ো তৈরির ব্যবসা ফেঁদে ফেলেছেন ওই তরুণ। কোনও পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই ব্যবসা শুরু করেছিলেন শুধুমাত্র সমাজমাধ্যমে থাকা টিউটোরিয়াল ভিডিয়ো দেখে। ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে এমনটাই দাবি করেছেন কানাডাবাসী ওই তরুণ। যদিও সেই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
তরুণের নাম টুয়ান লে। ভাইরাল হওয়া সেই পোস্টে টুয়ানকে বলতে শোনা গিয়েছে, ব্যবসার গোড়ার দিকে তিনি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে কম খরচে ভিডিয়ো তৈরি করে দিতেন। প্রথম বছরে মাত্র ৮,৫০০ ডলার আয় করেছিলেন। দ্বিতীয় বছরে তাঁর আয় বৃদ্ধি পেয়ে ১৭,৪০০ ডলারে পৌঁছোয়। এর পরই আসে কোভিড অতিমারি। সেই সময় বেশির ভাগ গ্রাহকই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। লকডাউনে থাকাকালীন তিনি বছরে মাত্র ১২ হাজার ৩০০ ডলার আয় করেছিলেন। তবুও হাল ছাড়েননি টুয়ান। সমস্ত পুঁজি ব্যবসায় বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং গ্রাহকদের নিয়ম করে ইমেল পাঠাতে থাকেন। বছরের শেষে তাঁর আয় ১ লক্ষ ১০ হাজার ডলারে পৌঁছে যায় বলে দাবি তরুণের।
চতুর্থ বছরে টুয়ান তাঁর সংস্থায় প্রথম এক জন কর্মচারী নিয়োগ করেন। ধীরে ধীরে সেই বছরে ব্যবসা থেকে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার ডলার আয় করেন। পাঁচ বছর পর তরুণের সংস্থায় কর্মীসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫। সংস্থার কর্মী ও টুয়ানের মিলিত পরিশ্রমে পঞ্চম বর্ষে ১৪ লক্ষ ডলার উপার্জন হয়েছে বলে পোস্টে দাবি করা হয়েছে।
সমাজমাধ্যমে টুয়ান তাঁর সাফল্যের গল্পটি ভাগ করে নেওয়ার পর নেটমাধ্যম ব্যবহারকারীরা কৌতূহলী হয়ে ওঠেন। এক জন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী জিজ্ঞাসা করেন, ‘‘এটি খুবই আশ্চর্যজনক, তৃতীয় বছরে এমন কী পরিবর্তন এসেছে যা আপনাকে ১২ হাজার ডলার থেকে ১০ লক্ষ ডলারে পৌঁছে দিয়েছে?’’