Advertisement
E-Paper

সৈন্য বাছাই প্রক্রিয়ায় উঠল কালো কার্ড, ভাগ্যের খেলা দেখে মাটিতে আছাড়িপিছাড়ি তরুণের! অপ্রস্তুত সেনাকর্তারাও, ভিডিয়ো প্রকাশ্যে

প্রতি বছর এপ্রিলে তাইল্যান্ড জুড়ে বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা যোগদানের বাছাইপর্বের অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়। এটি একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান। সে দেশের ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সি সব পুরুষের এই বাছাইপর্বে যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:১৫

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

সামরিক পরিষেবায় যোগ দেওয়ার জন্য নিয়োগ পর্ব চলছিল তাইল্যান্ডে। লটারির মাধ্যমে বাছাই প্রক্রিয়ার সময় এক তরুণের প্রতিক্রিয়ার ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। লাল ও কালো কার্ডের মাধ্যমে সামরিক পরিষেবায় যোগদানের নিয়োগ প্রক্রিয়া তদারক করছিলেন সামরিক কর্তারা। একটি কার্ড তুলে নেওয়ার পরই আনন্দে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তরুণ। এই ঘটনা দেখে অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন সেনাকর্তারাও। দৃশ্যটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা ভাইরাল হয়েছে। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে প্রতি বছর এপ্রিলে তাইল্যান্ড জুড়ে বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা যোগদানের বাছাইপর্বের অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। এটি একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান। সে দেশের ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সি সব পুরুষের এই বাছাইপর্বে যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক। এর মাধ্যমে ঠিক করা হয় তাই তরুণদের মধ্যে কারা সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন বা দেবেন না। লটারির মাধ্যমে তরুণদের বেছে নেওয়া হয়। যে তরুণ লাল কার্ড তোলেন তিনি সামরিক প্রশিক্ষণে যোগ দিতে বাধ্য। যাঁর ভাগ্যে কালো কার্ড পড়ে তিনি সামরিক দলে ভর্তি হওয়া থেকে অব্যাহতি পেয়ে যান। ভিডিয়োয় দেখা যায়, এক তরুণ বাছাই পর্বে কার্ড তুলে দেখার সঙ্গে সঙ্গে আনন্দে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন। আনন্দের চোটে মাটিতে শুয়ে বেঁকেচুরে অদ্ভুত অঙ্গভঙ্গি করতে থাকেন তিনি। কারণ তাঁকে সেনাদলে যোগ দিতে হবে না। এই ঘটনা দেখে কর্মকর্তা ও সৈন্যরা দৃশ্যতই অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। এমনকি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে চুমুও ছুড়ে দেন তরুণ।

ভিডিয়োটি ‘কলিন রাগ’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে গত বছর পোস্ট করার পর আবার তা নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। প্রচুর রি-পোস্ট হতেই তা আবারও নজর কেড়েছে নেটাগরিকদের। অনলাইনে কেউ কেউ এটিকে নাটকীয় বা মজার বলে মনে করলেও, অনেকে উল্লেখ করেছেন যে, এই ধরনের মুহূর্তগুলি সত্যিই মানসিক চাপ নিয়ে আসে। ভিডিয়োয় থাকা তরুণ সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, “আমি একজন সাধারণ তরুণের মতো স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চাই।” তিনি আরও বলেন, “সামরিক চাকরি হয়তো শৃঙ্খলাবোধ জাগিয়ে তোলে। অন্যদের উপকার করতে পারে, কিন্তু এটা আমার জন্য নয়।”

Advertisement
thailand
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy