বলের পিছনে ছুটতে গিয়ে বাস্কেটবল কোর্টের একেবারে ধারে পৌঁছে গিয়েছিলেন তরুণ খেলোয়াড়। সেখানে তরুণী চিয়ারলিডারের দল নাচ করে বিপক্ষ দলকে সমর্থন করছিল। তাঁদের সামনে গিয়ে আর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি খেলোয়াড়। বলের পিছনে ছুটতে ছুটতে চিয়ারলিডারের কোলে আছড়ে পড়েন তিনি। তরুণী চিয়ারলিডারকে নিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়লেন খেলোয়াড়। সেই ধাক্কাধাক্কিতে বাকি চিয়ারলিডারেরাও নীচে পড়ে গেলেন। তৎক্ষণাৎ উঠে না পড়ে শুয়েই ক্ষমাপ্রার্থনা করলেন তরুণ খেলোয়াড়। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
আরও পড়ুন:
‘নো কনটেক্সট কলেজ বাস্কেটবল’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, তরুণী চিয়ারলিডারেরা পড়ে গিয়েছেন। তাঁদের মাঝে রয়েছেন এক খেলোয়াড়ও। সম্প্রতি আমেরিকার ওরেগানের অরলিয়্যান্স অ্যারেনায় ওয়েস্ট কোস্ট কনফারেন্স টুর্নামেন্ট চলছিল। গোনজ়াগা বুলডগস দলের সঙ্গে বাস্কেটবল ম্যাচ চলছিল ওরেগান স্টেট বিভার্স দলের।
গোনজ়াগা দলের খেলোয়াড় মারিয়ো সেন্ট সুপেরি বলের পিছনে দৌড়োনোর সময় আর গতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। দৌড়ে গিয়ে প্রতিপক্ষ দলের চিয়ারলিডারদের উপর আছড়ে পড়েন তিনি। তরুণ খেলোয়াড়ের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে অনেকেই পড়ে যান। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষমা চান মারিয়ো। পরে তাঁর এক সতীর্থ মারিয়োর হাত ধরে টেনে তোলেন এবং খেলায় মনোযোগ দিতে বলেন।
স্পেনের মালাগার বাসিন্দা মারিয়ো। ২০২২ সালের অনূর্ধ্ব-১৬ ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ইউরোপীয় বাস্কেটবলে নিজের নাম লেখানোর পর তিনি গোনজ়াগার বাস্কেটবল দলে যোগ দেন।