খাড়া পাহাড়ি রাস্তা। একসঙ্গে দুটো গাড়ি যাওয়ার উপায় নেই। পাশেই খাদ। সেই রাস্তা দিয়েই খচ্চরের পিঠে চড়ে যাওয়া-আসা লোকজনের। কেউ পাহাড়ের উপরে যাচ্ছেন, কেউ আবার নীচে নামছেন। এক যুবক খচ্চরের পিঠে চেপে পাহাড়ের উপরের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় খচ্চরটি হঠাৎই রাস্তার ধারে চলে গেল। ভয়ে যুবকের আত্মারাম প্রায় খাঁচাছাড়া হয়ে যাচ্ছিল। এক পাহাড়ি তরুণ এসে তাঁকে বোঝালেন যে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। মজার সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোন পাহাড়ি অঞ্চলে ঘটেছে তা-ও ভিডিয়ো থেকে জানতে পারা যায়নি।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সরু পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে খচ্চরের পিঠে চেপে লোক উঠছেন-নামছেন। এক যুবক মুখ কাঁচুমাচু করে খচ্চরের পিঠে বসে আছেন। যুবকের মুখভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছে তাঁর মন এই কাজে সায় দিচ্ছে না। খাড়া রাস্তার পাশে থাকা খাদে পড়ে যাওয়ার ভয় যুবককে তাড়া করে বেড়াচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। খচ্চরের ক্ষমতার উপর তাঁর মোটেও বিশ্বাস নেই। দেখতে দেখতে যুবকের ভয়ই সত্যি হতে যাচ্ছিল। খচ্চরটি হঠাৎই ‘দুষ্টুমি’ করতে শুরু করল। রাস্তা ধরে সোজা না উঠে প্রাণীটি খাদের ধারে চলে গেল। যুবক পড়ি কি মড়ি করে হাত-পা ছুড়ে প্রায় কাঁদতে লাগলেন। তাঁর করুণ অবস্থা দেখে এক পাহাড়ি তরুণ এগিয়ে এসে জানালেন যে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। খচ্চরটি পাহাড়ি রাস্তায় চলাফেরা করতে অভ্যস্ত। তার রাস্তা চেনা আছে, সে খাদে পড়বে না। যুবক আশ্বস্ত হলেন। খচ্চরটিও আবার আগের গতিতেই চলতে শুরু করল। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
‘শ্রুতি ধোরে’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। নানা হাসির মন্তব্যে ভিডিয়োটির মন্তব্যবাক্স ভরে গিয়েছে। কেউ আবার পশুকে যাতায়াতের মাধ্যম বানানোর বিষয়টিকে নিষ্ঠুরতা বলে দাবি করেছেন।