সরকারি কর্মীর নাম ‘গার্লফ্রেন্ড পন্থ’! গুগ্লে হিন্দি থেকে ইংরেজি অনুবাদের জেরে মধ্যপ্রদেশের সরকারি তালিকায় তেমনই নাম উঠল ওই কর্মীর। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের গুনায়। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই হাসির রোল উঠেছে সমাজমাধ্যমে। আলোড়নও পড়েছে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে সরকারি দফতরে সঠিক প্রশাসনিক তদারকির অভাব নিয়ে।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রদেশের গুনা জেলায় জোরকদমে চলছে আসন্ন জনশুমারির প্রস্তুতি। সেই মর্মে সম্প্রতি গান্ধী ভোকেশনাল কলেজে ১৭ থেকে ১৯ এপ্রিল সরকারি কর্মীদের জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছিল গুনা পুরসভা। পুরসভা কর্তৃপক্ষের তরফে প্রশিক্ষণে যাবেন এমন ৩৬ জন কর্মচারীর নাম এবং দায়িত্ব বণ্টন করে একটি তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু ৩৬ জন সরকারি কর্মীর নামোল্লেখ থাকা সেই তালিকাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্রুত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে সাধারণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ।
জানা গিয়েছে, পুরসভার ওই তালিকায় এক সরকারি কর্মীর নাম ‘গার্লফ্রেন্ড পন্থ’ বলে নথিভুক্ত করা হয়েছিল। ওই কর্মীর ‘ইউজ়ার আইডি’তেও ‘গার্লফ্রেন্ড’ শব্দটি ছিল। সেই নথি সমাজমাধ্যমে ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর মধ্যপ্রদেশের সর্ব স্তরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। কী ভাবে এক কর্মীর নাম গার্লফ্রেন্ড হতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
আরও পড়ুন:
বিষয়টি নিয়ে আরও গভীরে অনুসন্ধান চালিয়ে এবং ডেটাবেস যাচাই করার পর জানা যায়, ওই কর্মচারীর আসল নাম প্রেমিকা পন্থ। সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকে মনে করছেন, হিন্দি থেকে ইংরেজিতে অনুবাদের সময় ‘প্রেমিকা’ শব্দটিকে ‘গার্লফ্রেন্ড’ হিসাবে অনুবাদ করে গুগ্ল। আর সেই নামই বসানো হয় তালিকায়। নাম তালিকাভুক্ত করার সময় ভুলবশত প্রেমিকা পন্থ হয়ে যান ‘গার্লফ্রেন্ড’ পন্থ।
ঘটনাটি গুনা পুরসভামহলে ইতিমধ্যেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। যদিও সরকারি কর্মকর্তারা এটিকে একটি সাধারণ ‘টাইপিং এরর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে নেটাগরিকদের একাংশ মনে করছেন, বিষয়টি সরকারি দফতরে যথাযথ প্রুফরিডিংয়ের অভাবের কারণে হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মজা করতেও ছাড়ছেন না নেটাগরিকদের একাংশ।