চলছিল সরকারি আধিকারিকদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। ছিলেন জেলাশাসকও। এর মধ্যেই বৈঠককক্ষে ঢুকে পড়ল একটি বাঁদর। সটান গিয়ে জেলাশাসকের আসনে বসে পড়ল সে। সঙ্গে সঙ্গে ছড়াল বিশৃঙ্খলা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বাগপতে। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বাগপতের বিকাশ ভবনে কৃষকদের সভা চলছিল। কৃষকদের বিভিন্ন অভিযোগ শুনছিলেন সরকারি কর্তারা। ঠিক তখনই বাঁদরটি সভাকক্ষে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। সংবাদমাধ্যম দৈনিক জাগরণের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাঁদরটি জেলাশাসক অস্মিতা লালের চেয়ারের উপরেও বসে পড়ে । সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বৈঠক চলাকালীন ঘরে ঢুকে পড়েছে একটি বাঁদর। একেবারে জেলাশাসকের চেয়ারের সামনে গিয়ে লাফাতে থাকে সে। এর পর জেলাশাসক বাঁদরটির দিকে ইশারা করে বসতে বলেন। কিছু ক্ষণের জন্য জেলাশাসকের চেয়ারে বসেও থাকে বাঁদরটি। এরই মধ্যে জেলাশাসকের দফতরের কর্মীরা সেখানে এসে পৌঁছান। সরিয়ে দেওয়া হয় তাকে।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, মটরু নামের ওই বাঁদরটিকে প্রায়ই ওই অফিস চত্বরে দেখা যায়। সেখানকার কর্মচারী এবং সরকারী কর্তাদের মধ্যে সে বেশ পরিচিত। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগেও বেশ কয়েক বার বিভিন্ন কক্ষে ঢুকতে দেখা গিয়েছে তাকে। উল্লেখ্য, মাস দু’য়েক আগে কৃষকদের এক বিক্ষোভ চলাকালীন জেলাশাসকের দফতরের কাছে উপস্থিত হয় মটরু। ভারতীয় কিসান ইউনিয়নের কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়ার জন্য জড়ো হয়েছিলেন। তাঁরা জেলাশাসকের দফতরের চত্বরে মাটিতে বসে অবস্থান ধর্মঘট করছিলেন। সে সময় বাঁদরটিও সেখানে বসে পড়েছিল।
আরও পড়ুন:
জেলাশাসকের বৈঠকে বাঁদর ঢুকে যাওয়ার ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে সাংবাদিক সচিন গুপ্তের এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই আবার বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে।