Advertisement
E-Paper

মুখে শামুক আটকে যন্ত্রণায় কাতর কাছিম চাইল সাহায্য, হাঁ করে ধৈর্য ধরে সারল চিকিৎসাপর্বও! রইল ভিডিয়ো

ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে অনেক সামুদ্রিক শামুক কচ্ছপের মুখে আটকে রয়েছে। তা দেখতে পেয়ে নৌকার যাত্রীরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। শামুকগুলি সরিয়ে দেওয়ার পর স্বস্তি পায় প্রাণীটি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০২৫ ১২:১৭
Man helps turtle to removes barnacle

ছবি: সংগৃহীত।

বিপদে পড়ে মানুষের কাছে সাহায্য চাইতে এল কাছিম। জলে থাকতে থাকতে মুখে প্রচুর সমুদ্রের শামুক (বার্নাকল) আটকে কষ্ট পাচ্ছিল জীবটি। যন্ত্রণায় কাতর হয়ে সাহায্যের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছিল অসহায় কাছিমটি। অবশেষে নৌকায় একদল যাত্রী তাকে দেখতে পায়। নৌকার আশপাশেই মুখ হাঁ করে ঘুরে বেড়াচ্ছিল সে। কাছিমটিকে ওই অবস্থায় দেখতে পায় যাত্রীরা ধরে তার মুখ থেকে টেনে টেনে শামুকগুলি ছাড়াতে থাকেন যাত্রীরা। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, অনেক সামুদ্রিক শামুক কাছিমের মুখে আটকে আছে। এই শামুকগুলি পাথর, নৌকা বা সামুদ্রিক প্রাণীর চামড়ার সঙ্গে লেগে থাকে। প্রচুর পরিমাণে সেগুলি কচ্ছপের চোয়ালে আটকে ছিল। এর ফলে প্রচণ্ড ব্যথায় ভুগছিল প্রাণীটি। নৌকার যাত্রীরা সেটিকে দেখতে পেয়ে ধরে নৌকার উপরে তোলেন। তাঁদের মধ্যে এক জন ধীরে ধীরে কচ্ছপের মুখ থেকে একে একে সব শামুক বার করে ফেলেন। বাকিরা কচ্ছপটিকে ধরে রেখেছিলেন। কচ্ছপটিও মুখ খোলা রেখে তাঁদের সহযোগিতা করছিল। শামুকগুলি টেনে বার করার সময় বিন্দুমাত্র ছটফট করেনি সে।

সমস্ত শামুক সরিয়ে ফেলার পর সেটিকে আবার জলে ছেড়ে দেওয়া হয়। তার পর কচ্ছপটি আবার সমুদ্রে সাঁতার কাটতে থাকে। জল থেকে মাথা তুলে কয়েক বার হাঁ করার পর সেটি আবার জলে ডুব দেয়। ভিডিয়োটি ‘রেনমেকার১৯৭৩’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করা হয়েছে। ঘটনাটি কবে বা কোথায় ঘটেছে সে সম্পর্কে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। ভিডিয়োটি এখনও পর্যন্ত ৪ কোটিরও বেশি বার দেখা হয়েছে। প্রচুর প্রতিক্রিয়া জমা পড়েছে মন্তব্য বিভাগে।

animal video

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy