Advertisement
E-Paper

মাকে ১ লক্ষ টাকার চশমা কিনে দিতে চাওয়ায় রাজি হননি! পুত্রের আয় শুনে আধ ঘণ্টা পরে রাজি হলেন মহিলা, ভাইরাল পোস্টে হইচই

সাহিল রাজ কুমার নামে ওই তরুণ উদ্যোক্তা সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন, তাঁর মা আর্থিক ভাবে সচ্ছল হলেও নিজের জন্য বিলাসবহুল জিনিস খুব কমই কেনেন। সম্প্রতি চশমা কিনতে একটি দোকানে গিয়েছিলেন তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৩৬
Mother takes sunglasses worth 1 lakh rupees from son after he convince her for 30 minutes to accept it

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

মাকে ১ লক্ষ টাকার উপহার কিনে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মাকে সেই উপহার গ্রহণের জন্য রাজি করাতেই দীর্ঘ সময় লেগে গেল পুত্রের। পুত্রের কথা বিশ্বাসই করতে পারলেন না মা। কিন্তু কেন? সমাজমাধ্যমে হৃদয়স্পর্শী সেই ঘটনার কথা ভাগ করে নিয়েছেন ওই তরুণ পুত্রই, যা হাজার হাজার মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

সাহিল রাজ কুমার নামে ওই তরুণ উদ্যোক্তা সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন, তাঁর মা সচ্ছল হলেও নিজের জন্য বিলাসবহুল জিনিস খুব কমই কেনেন। সম্প্রতি চশমা কিনতে একটি দোকানে গিয়েছিলেন তিনি। কয়েকটি চশমা পছন্দও হয় তাঁর। সেগুলি দেখাতেই পুত্রকে ভিডিয়ো কল করেন তিনি।

সাহিলের দাবি, তাঁর মা প্রায় লক্ষাধিক মূল্যের একটি চশমা পছন্দ করেন। কিন্তু দাম শুনেই তা না কেনার সিদ্ধান্ত নেন। এর পর পুত্র ওই চশমা উপহার হিসাবে কিনে দিতে চাইলেও নাকি রাজি হননি। সাহিলের মা জানান, যে দিন সাহিলের মাসিক আয় সাড়ে তিন লক্ষ থেকে চার লক্ষ টাকা হবে, একমাত্র সে দিনই তিনি ওই উপহার নেবেন। মায়ের কথা শুনে হেসে ফেলেন সাহিল। জানান, তাঁর মাসিক আয় তার থেকেও বেশি। এর পর আরও অবাক হয়ে যান সাহিলের মা। বিশ্বাসই করতে চান না পুত্রের কথা। সাহিল জানিয়েছেন, এর পর প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে তিনি মাকে তাঁর আয় নিয়ে বোঝান। পুত্রের কথা বিশ্বাস হওয়ার পরেই নাকি চশমাটি নিতে রাজি হন মা।

Advertisement

সাহিল সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন, মাকে দামি চশমা কিনে দিতে পেরে ‘তৃপ্তি’ অনুভব করছেন তিনি। পেশাদারদের সমাজমাধ্যম লিঙ্কডইন অনুযায়ী, সাহিল একটি সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর। তাঁর ওই পোস্ট ইতিমধ্যেই নেটপাড়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। মায়ের ইচ্ছাপূরণের জন্য তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ।

Bizarre shopping
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy