‘রং নম্বর’-এ ফোন করে আলাপ! পরে সেখান থেকে বন্ধুত্ব এবং প্রেম। ৩৫ বছর বয়সি সেই প্রেমিকের সঙ্গেই পালাতে গিয়ে স্বামী এবং ছেলের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়লেন ৬০ বছর বয়সি এক বৃদ্ধা। সম্পূর্ণ হল না অসমবয়সি প্রেমকাহিনি। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের বাঁকা জেলায়। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। হইচই ফেলেছে সমাজমাধ্যমে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় চার মাস আগে অন্য এক জনকে ফোন করতে গিয়ে ভুলবশত ওই বৃদ্ধাকে ফোন করে ফেলেন আরা এলাকার বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সি যুবক ভাকিল মিশ্র। সেখান থেকেই অসমবয়সি সেই সম্পর্কের সূত্রপাত। বারংবার ফোনে কথা বলতে বলতে শীঘ্রই একে অপরের প্রেমে পড়েন তাঁরা। পরে ভাগলপুর স্টেশনে দেখাও করেন দু’জনে। মহিলার দাবি, তাঁরা একসঙ্গে লুধিয়ানা গিয়েছিলেন। সেখানে পারস্পরিক সম্মতিতে বিয়েও করেন তাঁরা। কয়েক দিন একসঙ্গে বসবাসও করেন। এর পর গত রবিবার একসঙ্গে বিহার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় যুগল। কিন্তু অমরপুর বাসস্ট্যান্ডে যুগলকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বৃদ্ধার স্বামী এবং পুত্র।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ৩৫ বছর বয়সি প্রেমিককে জড়িয়ে কাঁদছেন ওই বৃদ্ধা। ভিডিয়োয় তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘ইনি আমার স্বামী। আমি স্বেচ্ছায় এবং আনন্দের সঙ্গে ওকে বিয়ে করেছি।’’ সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, জনগণের সামনেই বৃদ্ধার প্রেমিককে মারধর করেন তাঁর স্বামী। সঙ্গ দেয় পুত্রও। দু’জনের সম্পর্ক তাঁরা মেনে নেবেন না বলে জানান। রামপুর বাসস্ট্যান্ড চত্বরে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। ভিড়ও জমে। এর পর স্থানীয় কয়েক জন অসমবয়সি যুগলকে উদ্ধার করে অমরপুর থানায় নিয়ে যান।
আরও পড়ুন:
খবর, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ানোয় যুগলকে নিরাপত্তার জন্য পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পারিবারিক বিরোধ এবং আইনি দিক— উভয়ই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বৃদ্ধা এবং তাঁর প্রেমিকের ধরা পড়ার ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘রুদ্রকীআওয়াজ়’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই বিস্ময়ও প্রকাশ করেছেন অনেকে। যুগলকে মারধরের নিন্দাতেও সরব হয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ।