সকাল সকাল ঘুম থেকে তুলে মুখে মদ ঢেলে দিচ্ছেন রাশিয়ান তরুণীরা। আমোদ করে তা খাচ্ছেন এক দল তরুণ। ভারতীয় বিয়েবাড়ির ঘটনা বলে দাবি করে প্রকাশ্যে আসা তেমনই একটি ভিডিয়ো সম্প্রতি হইচই ফেলেছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। বিয়েবাড়িতে উদ্যাপনের ধরন নিয়ে ভিডিয়োটি অনলাইনে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি হোটেলের ঘরে এক দল তরুণ ঘুমোচ্ছিলেন। হঠাৎই তাঁদের ঘরে ঢুকে পড়েন দু’জন বিদেশিনি। দাবি, ওই তরুণীরা রাশিয়ান। তাঁদের হাতে মদের বোতল। এর পর অস্বাভাবিক ভাবে বোতল থেকে পানীয় ওই যুবকদের গলায় ঢেলে দেন তাঁরা। মহিলারা বোতল কাত করে পানীয় ঢালতে থাকলে তরুণেরা একে একে এগিয়ে আসেন। এর পর কামরা থেকে বাইরে এসে করিডরে ওই তরুণীদ্বয়ের সঙ্গে ভিড় করে উল্লাসে মাতেন তাঁরা। সেখানেও কারও কারও গলায় পানীয় ঢেলে দেন দুই বিদেশিনি। চলতে থাকে হাসিঠাট্টা। এক জন পুরো বিষয়টি ক্যামেরাবন্দি করেছেন। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। ভিডিয়োটি একটি ভারতীয় বিয়েবাড়ির বলে দাবি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
-
স্ত্রী শৌচাগারে যেতেই স্বামী উপস্থিত স্বয়ম্বর সভায়, অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে হাতে পেলেন ‘জোড়া চাঁদ’! তার পর যা হল...
-
পার্কে পরকীয়া স্বামীর! হাতেনাতে ধরে যুবককে জুতোপেটা করলেন স্ত্রী, মার প্রেমিকাকেও, ভাইরাল ভিডিয়ো
-
‘এ রকম শিক্ষক আমরা কেন পাইনি!’ যুবককে ত্রিকোণমিতির ব্যবহারিক প্রয়োগ বোঝাতে দেখে মজল নেটপাড়া, ভাইরাল ভিডিয়ো
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘সিদ্ধার্থ’স ইচেলন’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে। ক্যাপশনে লেখা, “ভারতীয় বিয়ের কী হয়েছে? এটা কী ভাবে অনুমোদিত এবং উপভোগ্য হয়? এটা সেই গেঁয়ো মানসিকতা থেকে আসে, যখন ‘রাশিয়ান’ শব্দটি শুনেই হাসাহাসি শুরু করেন অনেকে। আর এই অস্বাভাবিক মদ্যপানের কথা তো আমি বলছিই না। মদ্যপান এখন আসক্তির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। তোমরাও কি এ ভাবেই বিয়ে করতে চাও?” ইতিমধ্যেই ভিডিয়োটি বহু মানুষ দেখেছেন। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই আবার বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে। এই ধরনের অনুষ্ঠানে আচরণ এবং সীমা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। এক নেটাগরিক ভিডিয়ো দেখার পর লিখেছেন, ‘‘অভিজাত্য বলে একটা জিনিস আছে। সেটা কেনা যায় না, এমনিতেই প্রকাশ পায়।” অন্য এক জন লিখেছেন, “ভিডিয়োয় যাঁদের দেখা যাচ্ছে স্পষ্টতই তাঁরা ধনী। না হলে এ রকম ভাবে উল্লাস সকলে করতে পারেন না।’’ তৃতীয় এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘ওদের বিয়ে, ওদের টাকা। ওঁরা যে ভাবে খুশি খরচ করবেন, উদ্যাপন করবেন। তাতে বাকিদের কী সমস্যা সেটা বুঝতে পারছি না।’’