কোনও বাচ্চা দুষ্টুমি করলে প্রায়ই তাকে বকা দেওয়া হয় এই বলে ‘বাঁদরামি করিস না’। বাঁদর নামক প্রাণীটির নানান কাণ্ডকারখানার কারণেই এই কথা বলা হয়ে থাকে। সম্প্রতি একটি বাঁদর এমন এক কাজ করেছে যা দেখে হেসে কুটিপাটি হয়েছেন নেটাগরিকেরা। ভিডিয়োটি পোস্ট হওয়ার পরেই তা ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
২০২৬ সালের জনশুমারি প্রশিক্ষণের একটি সরকারি কর্মশালা চলছিল গুজরাতে। কর্মশালাটিতে শিক্ষক, পুর কর্মকর্তা এবং সরকারি কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন, যাঁরা আসন্ন জনগণনার ক্ষেত্রে নিজের নিজের দায়িত্ব বুঝে নিচ্ছিলেন। কাজ চলাকালীন হঠাৎই সেখানে ঢুকে পড়ে একটি বাঁদর। শাখামৃগের কীর্তিতে হকচকিয়ে যান উপস্থিত সকলে।
আরও পড়ুন:
‘দেশগুজরাত’ নামক এক্স হ্যান্ডলের পাতা থেকে এমনই একটি ভিডিয়ো ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। ভিডিয়োয় দেখা গেছে, বাঁদরটি নিঃশব্দে জনাকীর্ণ হলটিতে প্রবেশ করে এবং এমন ভাবে গিয়ে বসে, যেন তাকেও কাজ বুঝে নিতে হবে। এক মহিলার চেয়ারের হাতলে শান্ত ভাবে বসে থাকে সে। প্রায় নিশ্চল হয়ে বসেছিলেন ওই মহিলা, আর আশপাশের সকলে সতর্ক ভাবে সে দিকে তাকিয়ে ছিলেন। কেউ কেউ হাসাহাসিও করছিলেন। কিছু ক্ষণ পরে আর এক নারীর চেয়ারের মাথায় বসে বাঁদরটি। উপায়ান্তর না দেখে তিনি মাথায় একটি বই চাপিয়ে নেন। ভিডিয়োর শেষে দেখা যায় হল প্রায় ফাঁকা, অনেকেই বেরিয়েও যাচ্ছেন। আর নির্বিকার ভাবে এ দিক-ও দিক চেয়ে দেখছে শাখামৃগটি।
ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়তেই হাসির রোল উঠেছে সমাজমাধ্যমে। কোনও কোনও সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী ঘটনাটি দেখে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন। অজস্র মন্তব্য জমা পড়েছে। বেশ কয়েক জন উপস্থিত সকলের শান্ত প্রতিক্রিয়ার প্রশংসা করেছেন। এক নেটাগরিক লিখেছেন, “বনভূমি সঙ্কুচিত করে নগরায়ন ঘটানোর কারণেই নিরীহ প্রাণীগুলির এই দুর্দশা। তারা বুঝে উঠতে পারে না যে কোথাও যাওয়া উচিত, আর কোথায় নয়।”