Advertisement
E-Paper

ননদ হয়ে গেলেন ‘সতীন’! আদালতে ‘প্রমাণ’ দেখিয়ে একতরফা বিচ্ছেদও পেলেন স্ত্রী, চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা স্বামীর

বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা এক মহিলা। তাতে মহিলা দাবি করেন তাঁর স্বামী দ্বিতীয় বার বিয়ে করেছেন। আবেদনের ভিত্তিতে পারিবারিক আদালত মহিলার পক্ষে একতরফা ভাবে বিবাহবিচ্ছেদের আদেশ দেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৪৫

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা এক মহিলা বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় জয়ী হওয়ার জন্য এমন একটি পন্থা অবলম্বন করেছেন, যা দুঃসাহসিক বললেও কম বলা হয়। বিবাহবিচ্ছেদ পাওয়ার জন্য স্বামীর আপন বোনকেই ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ বলে চালিয়ে দিলেন স্ত্রী। ভরা আদালতে ননদকে স্বামীর ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ হিসাবে পরিচয় দেন মহিলা। সেই মামলায় এক তরফা ডিক্রিও পেয়ে গিয়েছেন তিনি। এপ্রিলের গোড়ার দিকে মহিলার স্বামী বিবাহবিচ্ছেদের কথা জানতে পারেন। তখনই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। মামলাটি মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের গ্বালিয়র বেঞ্চে নতুন করে উত্থাপিত হয়েছে। স্ত্রীর অভিযোগ ও বিভ্রান্তিকর প্রমাণের ভিত্তিতে দেওয়া একতরফা বিবাহবিচ্ছেদের ডিক্রিকে চ্যালেঞ্জ করেছেন স্বামী।

সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, গ্বালিয়রের বাসিন্দা ওই মহিলার সঙ্গে ১৯৯৮ সালে মার্কেটিং সংস্থায় কর্মরত এক ব্যক্তির বিয়ে হয়। স্বামী প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন। ধীরে ধীরে দম্পতির মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। ২০১৫ সাল থেকে মহিলা আলাদা থাকতে শুরু করেন। বিবাহবিচ্ছেদের জন্য নাছোড়বান্দা হলেও স্বামী তাতে রাজি ছিলেন না। ২০২১ সালে, তিনি বিবাহবিচ্ছেদের জন্য পারিবারিক আদালতে যান এবং অভিযোগ করেন যে তাঁর স্বামী পুনরায় বিয়ে করেছেন।

সাক্ষ্যপ্রমাণের অংশ হিসাবে মামলাকারী একটি পারিবারিক ছবি আদালতের সামনে পেশ করেন। সেই ছবিটিতে তাঁর স্বামী বোন ও অন্য আত্মীয়দের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মামলাকারী দাবি করেন যে, ছবিতে তাঁর স্বামীর পাশে থাকা মহিলাই ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’। এই ছবিটিকে প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করে পারিবারিক আদালত মহিলার দাবি গ্রহণ করে।

Advertisement

আবেদনের ভিত্তিতে পারিবারিক আদালত মহিলার পক্ষে একতরফা ভাবে বিবাহবিচ্ছেদের আদেশ দেয়। অভিযোগ, স্বামী তাঁর বক্তব্য জানানোর সুযোগ পাননি এবং বিবাহবিচ্ছেদ মঞ্জুরও করা হয়। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে স্বামী যখন বিবাহবিচ্ছেদের রায়ের কথা জানতে পারেন, তখন বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। আদালতের নথি পরীক্ষা করার পর, প্রমাণ হিসাবে ব্যবহৃত ছবিটি দেখে তিনি হতবাক হয়ে যান। ছবিতে যাঁকে তাঁর ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে আদতে তিনি ওই ব্যক্তির বোন।

সরকারি আইনজীবী ধর্মেন্দ্র শর্মা জানিয়েছেন যে, এর পরেই তরুণ মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের গ্বালিয়র বেঞ্চে এই একতরফা বিবাহবিচ্ছেদের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। স্বামীর অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী আদালতকে বিভ্রান্ত করেছেন এবং মিথ্যা তথ্যের সাহায্যে বিবাহবিচ্ছেদের ডিক্রি আদায় করেছেন। হাই কোর্টে মামলাটির শুনানি চলছে বলে জানা গিয়েছে।

Divorce Case
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy