মৎস্যজীবীদের লক্ষ্মীলাভ হল বৃহস্পতিবার। মাছ ধরতে বেরিয়ে এক দল মৎস্যজীবীর জালে উঠল প্রায় ১৫টি নোরে ভোলা মাছ। হুগলি নদীতে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার আগুনমারির চরের কাছে বিপুল পরিমাণ ওই নোরে ভোলা মাছ পেয়ে খুশির হাওয়া মৎস্যজীবীদের পরিবারে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেই মাছগুলি বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয় ডায়মন্ড হারবারের আড়তে৷ নিলামে ওই মাছের দাম ওঠে বেশ কয়েক হাজার টাকা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপির বেলপুকুর পঞ্চায়েতের রাঙাফলা-জমাদারপাড়ার জনা কয়েক মৎস্যজীবী ছোট নৌকায় করে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন নদীতে। হুগলি নদীতে মাছ ধরার সময় আগুনমারির চরের কাছে আনুমানিক ৫ ফুট লম্বা ১৫টি নোরে ভোলা পান জালে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ মাছগুলিকে আনা হয় ডায়মন্ড হারবার নগেন্দ্র বাজার মৎস্য আড়তে। ‘জেনিথ ফিশ কর্পোরেশন’ নামে একটি আড়তে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হয় নোরে ভোলা মাছগুলি। বেহালার বাসিন্দা মৎস্য ব্যবসায়ী বিজয় সাউ প্রায় ৫০ হাজার টাকায় মাছগুলি কিনে নেন।
— নিজস্ব চিত্র।
আরও পড়ুন:
-
নতুন রাজ্যপাল পেল বাংলা, প্রাক্তন আইএএস সিভি আনন্দ বোসকে নিয়োগ করল রাষ্ট্রপতি ভবন
-
নবান্ন অ্যাকাডেমি অধিগ্রহণ করুক, দাবি তুলে অনশনে কর্মীরা, ট্রাস্টি বোর্ডের প্রশ্ন, কোন আইনে হবে এ সব!
-
বামপন্থী আইনজীবীরা চাকরিতে বাধা দিলে আমরা আলিমুদ্দিন ঘেরাও করব, হুঁশিয়ারি চাকরিপ্রার্থীদেরই
-
কম সংখ্যার প্রেক্ষাগৃহে চলেও ‘উঁচাই’ ছোঁয়া গেল, এই কৌশলই কি নতুন পথ দেখাবে বলিউডকে?
মৎস্যজীবী সংগঠন সূত্রে খবর, এই মাছ সচরাচর ধরা পড়ে না। কালেভদ্রে অন্যান্য মাছের সঙ্গে ওঠে জালে। এই মাছ দেখতে অনেকটাই বহুমূল্য তেলিয়া ভোলা মাছের মতো। কিন্তু নোরে ভোলার দাম তার তুলনায় কম। এ নিয়ে ডায়মন্ড হারবার নগেন্দ্রবাজার মৎস্য আড়তদার সমিতির সম্পাদক জগন্নাথ সরকার বলেন, ‘‘তেলিয়া ভোলার মাছের মতোই নোরে ভোলা মাছের পটকা ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার লাগে। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রীতিমতো রফতানি করা হয় এই মাছ।’’