E-Paper

নাম বাদ, ভোট দিতে না পেরেও দায়িত্বে বিএলও

ব্লক প্রশাসনের তরফে তাঁকে জানানো হয়, ভোটাধিকার না থাকলেও ভোটের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

সমীরণ দাস 

শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৩৩
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

এসআইআর-এ নাম বাদ গিয়েছে তাঁর। ভোট দিতে পারেননি মগরাহাট পূর্বের যুগদিয়া পঞ্চায়েতের ২৩০ নম্বর বুথের বিএলও নুরুন্নাহার খাতুন। তবুও নিয়ম মেনে বুধবারদিনভর ভোটের দায়িত্ব পালন করলেন তিনি।

শালগুড়িয়া এলাকার বাসিন্দা নুরুন্নাহার খাতুন স্থানীয় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা। এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাড়ি বাড়ি ফর্ম বিলি থেকে শুরু করে সমস্ত কাজ করলেও চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নাম ওঠেনি। ট্রাইবুনালে আবেদন করেও সমাধান হয়নি বলে দাবি তাঁর।

গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ নুরুন্নাহার বিএলও-র কাজ থেকে সরে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ব্লক প্রশাসনের তরফে তাঁকে জানানো হয়, ভোটাধিকার না থাকলেও ভোটের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। সেই মতো ভোটের আগে সকলের বাড়ি বাড়ি ভোটার স্লিপ পৌঁছে দিয়েছেন নুরুন্নাহার। ভোটের দিনও সকাল থেকে স্থানীয় শালগুড়িয়া প্রাথমিক স্কুলের বুথে ব্যস্ত ছিলেন তিনি।

ক্ষোভের সুরে তিনি বলেন, ‘‘এত বছর ধরে ভোট দিয়ে এসেছি। সকলকে ভোটার স্লিপ বিলি করেছি, অথচ নিজের ভোট দেওয়ার অধিকার নেই। নামের ভুলের জন্যেই নাকি আমার নাম বাদ পড়েছে। এ ভাবে একজন নাগরিকের অধিকার কেড়ে নেওয়া গণতন্ত্রের লজ্জা!’’ পরিবারের অভিযোগ, সকলের নাম থাকলেও অজ্ঞাত কারণে তাঁর নাম বাদ পড়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাওয়ার ভাবনা রয়েছে।

দীর্ঘদিন ভোট দিলেও এ বার নাম বাদ যাওয়ায় তিনি ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ভোটের কাজ থেকে সরে দাঁড়াতে চাইলেও প্রশাসনের নির্দেশে দায়িত্ব চালিয়ে যেতে হয়। ভোটের আগে ভোটার স্লিপ বিলি থেকে ভোটের দিন বুথে উপস্থিত থেকে কাজ করেন তিনি।

প্রশাসনের দাবি, বাদ পড়া ভোটারদের ট্রাইবুনালে আবেদন করতে বলা হয়েছে। ভোটের দায়িত্ব আগে থেকেই নির্ধারিত থাকায় পরবর্তী সময়ে তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয় বলেও জানানো হয়েছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Magrahat

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy