Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

কলেজে শিক্ষকদের তালাবন্ধ করে রেখে বিক্ষোভ দেখালেন গেস্ট লেকচারাররা। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে ক্যানিংয়ের বঙ্কিম সর্দার কলেজে। এই ঘটনায় পরে পুলিশ আসে। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষা শুভ্রা বিশ্বাসের সঙ্গে বার বার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০১৫ ০১:১৯

কলেজে তালাবন্দি শিক্ষকরা

নিজস্ব সংবাদদাতা • ক্যানিং

কলেজে শিক্ষকদের তালাবন্ধ করে রেখে বিক্ষোভ দেখালেন গেস্ট লেকচারাররা। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে ক্যানিংয়ের বঙ্কিম সর্দার কলেজে। এই ঘটনায় পরে পুলিশ আসে। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষা শুভ্রা বিশ্বাসের সঙ্গে বার বার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, দু’পক্ষই লিখিত ভাবে হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ, কলেজের ৮ জন গেস্ট লেকচারার এ দিন হাজিরা খাতায় সই করতে গেলে বাধা দেন কলেজের ভারসার (অ্যাকাউন্ট্যান্ট) । তা নিয়ে দু’পক্ষের বচসা বাধে। অভিযোগ, সে সময়ে গেস্ট লেকচারার সৈকত ভট্টাচার্যকে অফিস ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। প্রতিবাদে গেস্ট লেকচারাররা প্রায় দু’ঘণ্টা অন্য শিক্ষকদের অফিস ঘরে তালাবন্দি করে রাখেন। পরে ক্যানিং থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। কলেজ সূত্রের খবর, আংশিক সময়ের ওই শিক্ষকদের সঙ্গে বছরের মার্চ মাসে নতুন করে চুক্তি করতে হয়। অভিযোগ, পরিচালন সমিতির বৈঠক ডেকে চুক্তি নবীকরণ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন কলেজ কতৃর্পক্ষ। কিন্তু পয়লা এপ্রিল হয়ে গেলেও তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। এ দিন হাজিরা খাতায় সই করতে গেলে বাধাও দেওয়া হয়। গেস্ট লেকচারারদের তরফে সৈকত ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘আগাম কিছু না জানিয়ে এ দিন সই করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আসলে আমাদের সরিয়ে দিয়ে চক্রান্ত করছেন কতৃর্পক্ষ। অন্য দিকে, কলেজের এক শিক্ষক তিলক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘কলেজের কিছু বহিরাগত শিক্ষক কলেজের ভারসার কল্যাণ চট্টোপাধ্যায়কে হেনস্থা করেন। এমনকী, শিক্ষকদেরও তালাবন্দি করে রাখা হয়।’’পরিচালন সমিতির সদস্য পরেশরাম দাস বলেন, ‘‘গণ্ডগোলের কথা শোনার পরে পুলিশকে জানানো হয়। গেস্ট লেকচারারদের বিষয়টি পরিচালন সমিতির পরবর্তী বৈঠকে আলোচনা করা হবে।’’

নির্যাতিত কিশোরকে বাঁচাতে যুদ্ধ ডাক্তারদের

নিজস্ব সংবাদদাতা

গাইঘাটা থানা এলাকার সাহেববাগানে নিগৃহীত কিশোরের শারীরিক অবস্থা খুবই সঙ্কটজনক বলে এসএসকেএম হাসপাতাল সূত্রে বুধবার জানানো হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানান, আইসিইউয়ে চিকিৎসাধীন ওই কিশোরের জীবন বাঁচানোই তাঁদের কাছে প্রথম চ্যালেঞ্জ। ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্মম ভাবে আঘাত করার আগে তার উপরে যৌন নির্যাতনও চালানো হয়েছিল বলে জানান ডাক্তারেরা। রবিবার সাহেববাগানের একটি ঝোপ-জঙ্গল থেকে বাবু মণ্ডল নামে ওই কিশোরকে রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে তাকে ঠাকুরনগর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এসএসকেএমে। পিজি সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতে ওই কিশোরের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় আইসিইউয়ে স্থানান্তরিত করা হয়। কিশোরটির চোখে এবং মুখের ভিতরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে দুষ্কৃতীরা। তার আগে তাকে যৌন নিগ্রহ করা হয়েছিল বলে জানান পিজি-র চিকিৎসকদের একাংশ। কিশোরটিকে উদ্ধার করার পরে প্রায় দু’দিন কেটে যাওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কে বা করা তার উপরে এ ভাবে অত্যাচার চালাল, সেই বিষয়েও তদন্ত খুব একটা এগোয়নি। তদন্তে পুলিশের গড়িমসিতে জেলার শিশু কল্যাণ সমিতি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। সমিতির চেয়ারপার্সন অরবিন্দ দাশগুপ্ত এ দিন বলেন, ‘‘কে বা কারা এ ভাবে অত্যাচার চালাল, তাদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে বলা হয়েছে পুলিশকে। পুলিশ যদি তা না-পারে, সে-ক্ষেত্রে তদন্তভার তুলে দেওয়া হবে সিআইডি-র হাতে।’’

বাম ঐক্য জরুরি, ক্ষিতি

নিজস্ব সংবাদদাতা • বাসন্তী

বামপন্থীদের ঐক্য গড়ে তোলার ডাক দিলেন আরএসপি নেতা িক্ষতি গোস্বামী। বুধবার দলের ১৭ তম দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সম্মেলন উপলক্ষে সোনাখালিতে এক সমাবেশে এ কথা বলেন বর্ষীয়ান বাম নেতা। তাঁর কথায়, ‘‘বামফ্রন্টের বাইরে যে সমস্ত বাম মনোভাবাপন্ন দলগুলি আছে, তাদের এক ছাতার তলায় আনার প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে।’’ আলু চাষিদের বিপর্যয়, রানাঘাটে সন্ন্যাসিনীকে নিগ্রহ-সহ নানা প্রসঙ্গ তুলে রাজ্যের সমালোচনা করেন তিনি। বিধায়ক সুভাষ নস্কর বলেন, ‘‘এ রাজ্যে বিরোধী পক্ষের জন প্রতিনিধিদের তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।’’ এ দিন সমাবেশে দলের নেতা লোকমান মোল্লা, চন্দ্রশেখর দেবনাথরাও হাজির ছিলেন।

ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, ধৃত

এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে গৃহশিক্ষককে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার দুপুরে আরামবাগ বাসস্ট্যান্ডের কাছে ওই ঘটনা ঘটে। একাদশ শ্রেনীর পড়ুয়া ওই কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতে গৃহশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম সুব্রত সরকার। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুব্রতবাবুর বাড়ি আরামবাগের কাঁচগোড়িয়া গ্রামে। তিনি আরামবাগ বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি ভবনের দোতলায় ঘর ভাড়া নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের পড়ান। মাস কয়েক আগে ওই কিশোরী অঙ্কের পাঠ নিতে তাঁর কাছে ভর্তি হয়। তার অভিযোগ, গত শুক্রবার অঙ্ক করানোর সময় সুব্রতবাবু তাঁর সঙ্গে অশালীন কথা বলার চেষ্টা করেন এবং শ্লীলতাহানি করেন। ওই দিন মেয়েটি বাড়ি ফিরে যায়। বুধবার সে কয়েক জন অভিভাবকের সঙ্গে ওই ভবনে আসে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিষয়টি জানানো হয়। তার পরেই ওই শিক্ষককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, সুব্রতবাবুর বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতনের মামলা চলছে। ওই শিক্ষক পুলিশকে জানিয়েছেন, অভিযোগকারীনি ছাত্রীর সঙ্গে তিনি কোনও অশালীন কাজ করেননি। ষড়যন্ত্র করে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ড

আগুনে পুড়ল তিনটি দোকান। বুধবার রাতে সালরের স্টেশন বাজারের ঘটনা। স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy