বাগদা বিধানসভার আষাঢ়ু পঞ্চায়েতের ২২৪ নম্বর বুথের হামকুড়ো গ্রামে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য-সহ কয়েকজনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তৃণমূল সদস্য শৈলেন মণ্ডল বুথ থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে একটি বাড়িতে বসেছিলেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা সেখানে গিয়ে তাঁকে এবং কয়েকজন কর্মীকে মারধর করে। ঘটনাস্থলে পৌঁছন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতা ঠাকুর। তিনি অভিযোগ করেন, “মহিলাদেরও মারধর করা হয়েছে।” তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের মদতেই এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ অস্বীকার করে শান্তনু বলেন, “তৃণমূলের লোকজন জমায়েত হয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁদের সরিয়ে দিয়েছে।” অন্য দিকে, বাগদা বিধানসভার ২৯২ নম্বর বুথ ট্যাংরা কলোনি উচ্চ বিদ্যালয়ের বাইরে তৃণমূল ও বিজেপির বুথ অফিস সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের দাবি, ১০০ মিটারের বাইরে থাকা সত্ত্বেও বুথ অফিস তুলে দেওয়া হয়েছে। দোকান বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছে। বিজেপির দাবি, বুথ অফিস ১০০ মিটারের মধ্যে থাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর অনুরোধে তা সরানো হয়েছে। লাঠি চালানোর অভিযোগও উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সে কথা মানেনি তারা। গাইঘাটার ঝাউডাঙা পঞ্চায়েতের ২১৮ নম্বর বুথে ১০৫ বছরের বৃদ্ধা মাকে ভোট দিতে এসে এক সেনাকর্মীকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা মারধর করেন বলে অভিযোগ। তাঁর মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়, গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টারও অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)