পঞ্চায়েত ভোটের মুখে আবারও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) এবং জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) অস্ত্রে শান দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় একটি দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে সিএএ এবং এনআরসির পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। শুভেন্দুর এই বক্তব্য নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।
মঙ্গলবার বনগাঁয় এক বিজয়া সম্মিলনীতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘নিশ্চিন্ত থাকুন। সিএএ আইন পাশ হয়েছে। অমিত শাহজি এবং নরেন্দ্র মোদীজি ঠাকুরনগরে এসে কথা দিয়েছেন।’’ সেই সূত্রে তিনি আরও বলেন, ‘‘এই লড়াইয়ে আপনারা জিতেছেন লোকসভা এবং রাজ্যসভায়। আমি বলতে গিয়েছিলাম, কবে চালু হবে সিএএ? নিশ্চিত থাকুন, অচিরেই স্বপ্নপূরণ হবে। আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন ভারত সরকার, প্রধানমন্ত্রী যা কথা দেন সে কথা তিনি রাখেন। এটা সবাই জানে।’’ সিএএ-র পাশাপাশি এনআরসি এবং জন্ম নিয়ন্ত্রণ আইন চালু করার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
-
‘কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ’ কেরিম খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই, বেসরকারি ব্যাঙ্কের নথিও পরীক্ষা
-
মমতার হাত থেকে মানিক নিলেন সাহসিকতার পুরস্কার, ভাবছেন নেবেন কি না সরকারি চাকরি
-
রাজ্য বিজেপিতে ফের অনেক রদবদল, নামই নেই রাজুর, কলকাতায় দায়িত্ব পেলেন সজল
-
অপসারণে স্থগিতাদেশ! মানিক কি পর্ষদের মাথায় ফিরতে পারবেন? কী বলল সুপ্রিম কোর্ট
শুভেন্দুর বক্তব্য নিয়ে বনগাঁ লোকসভার প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা ঠাকুরবাড়ির অন্যতম সদস্য মমতাবালা ঠাকুর বলেন, ‘‘ভোট এলেই এ রাজ্যের বিজেপি নেতারা এনআরসি এবং সিএএ হবে বলে বেড়ান। এখন পঞ্চায়েত ভোট আসছে। তাই হয়তো এ কথা বলা হচ্ছে। সিএএ এবং এনআরসি নিয়ে আমাদের কেন নাগরিকত্ব দেওয়া হবে? বীণাপাণি দেবী এবং কপিলকৃষ্ণ ঠাকুর মতুয়াদের নিঃশর্ত নাগরিকত্বের দাবি করেছিলেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে, সিএএ হলে পরিচয়পত্র দিয়ে নাগরিকত্ব নিতে হবে। কিন্তু কী কী নথি দিয়ে নাগরিকত্ব পেতে হবে তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট বার্তা নেই কেন্দ্রীয় সরকারের। রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বিজেপির মধ্যে কোনও সমন্বয় নেই। তাই নানা সময়ে এমন কথা উঠে আসছে।’’