Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

চলন্ত ট্রেনের আলোয় দেখা গেল, এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ চ্যাংদোলা করে রেললাইনের উপর ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে কয়েক জন। তা দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা ধাওয়া করেন। ধরা পড়ে এক দুষ্কৃতী। দু’টি রেললাইনের মাঝে দেহ ফেলে চম্পট দেয় বাকিরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে শিয়ালদহ-বনগাঁ শাখার গুমা ও বিড়া স্টেশনের মাঝামাঝি ২২ নম্বর রেলগেটের কাছে ছোট বামনিয়ায়।

শেষ আপডেট: ১৭ জুলাই ২০১৪ ০০:০১

ফের খুন করে লাইনে দেহ ফেলল দুষ্কৃতীরা

নিজস্ব সংবাদদাতা • অশোকনগর

চলন্ত ট্রেনের আলোয় দেখা গেল, এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ চ্যাংদোলা করে রেললাইনের উপর ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে কয়েক জন। তা দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা ধাওয়া করেন। ধরা পড়ে এক দুষ্কৃতী। দু’টি রেললাইনের মাঝে দেহ ফেলে চম্পট দেয় বাকিরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে শিয়ালদহ-বনগাঁ শাখার গুমা ও বিড়া স্টেশনের মাঝামাঝি ২২ নম্বর রেলগেটের কাছে ছোট বামনিয়ায়। দিন কয়েক আগে এখান থেকে ৫-৬ কিলোমিটার দূরে দত্তপুকুর-বামনগাছি স্টেশনের মাঝে সৌরভ চৌধুরী নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করে রেললাইনে ফেলে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। কয়েকটি ট্রেন চলে যায় সেই দেহের উপর দিয়ে। নৃশংস খুনকে দুর্ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টায় ছিল আততায়ীরা। পরে অবশ্য ধরা পড়েছে মূল অভিযুক্ত শ্যামল কর্মকার-সহ কয়েক জন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অবশ্য গৌতম দাস (২৭) নামে ওই যুবকের দেহ ট্রেনে কাটা পড়েনি। তবে মাথায় গভীর ক্ষত ছিল। মৃত্যু হয়েছিল কিছু ক্ষণ আগেই। ধৃত সঞ্জিত দাসকে গণধোলাই দিয়ে একটি ক্লাবে আটকে রেখেছিল জনতা। অশোকনগর থানা ও বনগাঁ জিআরপি ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশ জানিয়েছে, গৌতমের বাড়ি আমডাঙা থানার আগহাটা গ্রামে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, সঙ্গীসাথীদের সঙ্গে রেলগেটের কাছে একটি পরিত্যক্ত কেবিনে বসেছিল গৌতম। সেখানে মদের আসর চলছিল। কোনও পুরনো শত্রুতার জেরে বদলা নিতেই সেখানে ডেকে আনা হয়েছিল গৌতমকে। প্রচুর মদ খাওয়ানো হয় তাকে। পরে মারধর করে রেললাইনের ধারের পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়। ঘটনাটিকে রেলে কাটা পড়ে মৃত্যু বলে চালানোর চেষ্টা করেছিল দুষ্কৃতীরা। কিন্তু ট্রেনের আলোয় তাদের দেখতে পেয়ে যান এলাকার লোকজন।

পঞ্চায়েতে অফিসে হামলার অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা • গোপালনগর

তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত অফিসে চড়াও হয়ে এক তৃণমূল নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ ব্লকের পাল্লা পঞ্চায়েতে। পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার একশো দিনের কাজের টেন্ডার নিয়ে বৈঠক হচ্ছিল। উপপ্রধান তৃণমূলের স্বপন বিশ্বাস বলেন, ‘‘বৈঠক চলাকালীন ১৫-২০ জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক সভাঘরে ঢুকে জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। যুব তৃণমূলের পাল্লা এলাকার সভাপতি তপন সরকারকে ওরা মারধরও করেছে। তপনবাবুকে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতা স্বপন মজুমদার অবশ্য বলেন, ‘‘মারধর-ভাঙচুরের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাদেরই এক কর্মীর মাথা মেরে ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে বনগাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।” ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্তারা।

বিডিও অফিসের কর্মী ঘেরাও

নদীবাঁধ না সংস্কার হওয়ায় এবং প্লাবিত এলাকায় ত্রাণ না পাঠানোয় বিডিও অফিসের এক প্রতিনিধিকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাল নামখানা ব্লকের দেবনগর গ্রামের গ্রামবাসীরা। প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে খবর, নামখানায় হাতানিয়া ও দোহানিয়া নদীর বাঁধ ভেঙে জল প্লাবিত হয় দেবনগর এলাকায়। সেই ঘটনার পরে চার দিন কেটে গেলেও ত্রাণ পৌঁছয়নি বলে গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাদের দাবি ছিল বিডিও না আসা পর্যন্ত ছাড়বে না ওই প্রতিনিধিকে। প্রায় ঘণ্টা তিনেক পরে ঘটনাস্থলে বিডিও যান। তিনি গ্রামবাসীদের সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে ওই কর্মীকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন। এ প্রসঙ্গে নামখানার বিডিও তাপস মণ্ডল বলেন, “নদীবাঁধ না সারানোর জন্য গ্রামবাসীরা আমাদের এক কর্মীকে ঘেরাও করেছিল। জল নেমে গেলে খুব শীঘ্রই নদীবাঁধ সারানোর ব্যবস্থা করছি।”

দিল্লি থেকে উদ্ধার কিশোরী

নিখোঁজ হওয়া এক কিশোরীকে দিল্লির হোম থেকে উদ্ধার করল ঢোলাহাটের পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ওই কিশোরীকে মঙ্গলবার কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক তাকে হোমে রাখার জন্য নির্দেশ দেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, বছর খানেক আগে ওই কিশোরীকে পরিচারিকার কাজ দেওয়ার নাম করে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ওই কিশোরীর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

মেঘের পরে মেঘ। মঙ্গলবার বনগাঁয় তোলা নিজস্ব চিত্র।

জলের তোড়ে ধসেছে বাঁধ। আতঙ্কিত স্থানীয় মানুষজন। বাঁধ মেরামতির
কাজ চলছে ক্যানিংয়ের থুমকাটিতে। ছবি তুলেছেন সামসুল হুদা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy