Advertisement
E-Paper

তৃণমূল নেতার গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার সন্দেশখালিতে

মেছোভেড়িতে যাওয়ার পথে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হলেন এক তৃণমূল নেতা। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে সন্দেশখালির মঠবাড়ি গ্রামে। মৃত নেতার নাম আজিজুল হক দফাদার ওরফে ছোট মিঞা (৩৯)। বাড়ি ওই গ্রামেই।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ নভেম্বর ২০১৫ ০০:৩৪
ছোট মিঞা। —নিজস্ব চিত্র।

ছোট মিঞা। —নিজস্ব চিত্র।

মেছোভেড়িতে যাওয়ার পথে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হলেন এক তৃণমূল নেতা। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে সন্দেশখালির মঠবাড়ি গ্রামে। মৃত নেতার নাম আজিজুল হক দফাদার ওরফে ছোট মিঞা (৩৯)। বাড়ি ওই গ্রামেই।

রাতেই তাঁর দেহ গ্রামবাসীদের না জানিয়ে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। যার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় তালতলার কাছে বাসন্তী রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় এলাকার মানুষজন। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীদের হাতাহাতি বাধে। তিন পুলিশকর্মী-সহ জখম হয়েছেন ছ’জন। পরে এসডিপিও শ্যামল সামন্তের নেতৃত্বে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) গৌরব লাল বলেন, ‘‘খুনের ঘটনার পরে রাতেই দেহ তোলার সময়ে ফোন করে সকলকে ডাকা হয়েছিল। তখন কেউ আসেননি।’’ জনতার অভিযোগ, অবরোধ তুলতে এসে পুলিশ লাঠি চালিয়েছে। ঘটনা সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন ওই পুলিশকর্তা। তৃণমূল নেতার গুলিবিদ্ধ দেহ ময়না-তদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কিন্তু কেন খুন হলেন ওই তৃণমূল নেতা? ঘটনায় রাজনৈতিক রং লেগেছে বলাইবাহুল্য।

তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের দাবি, বিজেপির সঙ্গে মিলে সিপিএম বিধায়ক নিরাপদ সর্দার এই ঘটনায় জড়িত। বিধানসভা ভোটের আগে সিপিএম ‘খুনোখুনির খেলায়’ নেমেছে বলে মন্তব্য করেন জ্যোতিপ্রিয়বাবু। অন্য দিকে, নিরাপদবাবু বলেন, ‘‘জ্যোতিপ্রিয়বাবু কখনও আমাকে ডাকাতের সর্দার বলেন তো কখনও খুনি। আসলে রাজনৈতিক হতাশা থেকেই এমন সব মন্তব্য করছেন। ওঁদের দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই খুনের ঘটনা ঘটেছে।’’ যা চাপা দিতেই রাজ্যের মন্ত্রী এমন মন্তব্য করছেন।’’ বয়ারমারি ২ পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান মহসিনা বিবির দেওর ছোট মিঞা। মহসিনা বলেন, ‘‘রাত ১২টার সময়ে পুলিশের পক্ষে ফোনে শুধু জানানো হয়েছিল, উনি খুন হয়েছেন। কারা খুন করেছে, কী ভাবে খুন করা হয়েছে, সে সব বলা হয়নি। আমি প্রধান হওয়া সত্ত্বেও আমাকে দেহ না দেখিয়েই রাতের অন্ধকারে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’’

কে এই ছোট মিঞা?

পুলিশ জানায়, তাঁর নামে পুলিশের খাতায় বেশ কয়েকটি অভিযোগ আছে। এক সময়ে ছোট মিঁঞা এবং তাঁর দাদা বড় মিঁঞা বাম সমর্থক ছিলেন। বড় মিঁঞা বর্তমানে জেলে। এ দিন সন্ধ্যায় মৃতের বাড়িতে যান বসিরহাটের সাংসদ ইদ্রিশ আলি।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy