×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১১ মে ২০২১ ই-পেপার

ধসা রোগ থেকে রক্ষা করতে আলুচাষীদের সঙ্গে বৈঠকে কৃষি উপদেষ্টা

নিজস্ব সংবাদদাতা
বর্ধমান ১৪ জানুয়ারি ২০২১ ১৬:১৯
এ বছর এমনিতেই আলুর দাম ছিল নাগালের বাইরে। -নিজস্ব চিত্র।

এ বছর এমনিতেই আলুর দাম ছিল নাগালের বাইরে। -নিজস্ব চিত্র।

খামখেয়ালী আবহাওয়ায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন চাষীরা। সপ্তাহ খানেক জাঁকিয়ে শীত পড়েছিল। তার পর ঠাণ্ডা কার্যত উধাও। আর এতেই আলুচাষীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। তাই ৫ জেলার প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকে বসলেন রাজ্যের মুখ্য কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার। বর্ধমানের কৃষিখামারেরমাটিতীর্থ কৃষিকথা প্রাঙ্গণে আলোচনা হল। বাঁকুড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম ও পূর্ব বর্ধমানের কৃষি আধিকারিকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এ বছর এমনিতেই আলুর দাম ছিল নাগালের বাইরে। আলুর দাম একটা সময়ে কিলোতে ৬০ টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়। প্রদীপবাবু জানান, এ বছর আলু চাষের জমির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। গোটা রাজ্যের এ বছর আলু চাষ হয়েছে লক্ষ হেক্টর জমিতে।

বৈঠকে কৃষি আধিকারিকরা ছাড়াও কীটনাশক প্রস্তুতকারী সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। শীত কমে যাওয়ায় আলুতে নাবি ধসার আক্রমণ ঘটছে। আলু গাছেই শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে আলুর ফলন একেবারে কমে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। তাই আলুচাষীদের ধসার হাত থেকে বাঁচাতে কী করতে হবে, প্রয়োজনীয় বা চাহিদা মতো কীটনাশক মজুত আছে কি না, এ সবই বৈঠকে মূল আলোচনার বিষয় ছিল।

Advertisement

আরও পড়ুন: বার বার দল বদলে কি বিশ্বাস হারাচ্ছেন দুলাল

বৈঠকে কীটনাশক সরবরাহকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা জানান, তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ওষুধ মজুত রয়েছে। সুতরাং ভয়ের কিছু নেই।

তবে গতকাল, বুধবার থেকে আবহাওয়া বেশ পরিবর্তন হয়েছে। উর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা ফের নিম্নগামী। শীত ফিরেছে বাংলায়। প্রদীপবাবুর আশা, আর অন্তত দু’সপ্তাহ টানা ঠাণ্ডা থাকলে ধসার হাত থেকে আলু বাঁচবে।

বছর তিনেক আগে ধসা রোগের ফলে আলুচাষে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হন চাষীরা। মাঠের পর মাঠ আলু জমি ধসায় শেষ হয়ে যায়। চাষীরা চরম সঙ্কটে পড়েন। মারাত্মক লোকসান হয় আলু চাষে। ক্রমাগত জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করেও কোনও ফল হয়নি। বাঁচানো যায়নি আলু গাছকে। তাই এবার রাজ্যের কৃষি দফতর আগেভাগেই উদ্যোগ নিয়েছে ধসা রোধে।



Tags:

Advertisement