Advertisement
E-Paper

তফসিলি শংসাপত্র প্রদানে ‘দুর্নীতি’র শিকড়ের খোঁজে নয়া মন্ত্রী! ক্ষুদিরামের হুঁশিয়ারি, ছাড় পাবেন না আধিকারিকেরা

মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, ‘‘ভুয়ো শংসাপত্রের ভিত্তিতে যাঁরা সরকারি সুবিধা ভোগ করছেন, তাঁদের সুবিধা বাতিল করা হবে। শুধু দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই নয়, আদিবাসী সমাজের উন্নয়ন হবে অন্যতম লক্ষ্য।’’

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ মে ২০২৬ ১৬:১২
Khudiram Tudu

ক্ষুদিরাম টুডু। —ফাইল চিত্র।

তৃণমূল আমলে তফসিলি শংসাপত্র নিয়ে ‘ব্যাপক দুর্নীতি’ হয়েছে বলে অভিযোগ। দায়িত্ব নেওয়ার পর আগে ওই বিষয়ে নজর দেবেন। রবিবার এমনটাই জানালেন শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার সদস্য ক্ষুদিরাম টুডু। বাঁকুড়ার রানিবাঁধের বিজেপি বিধায়ক জানিয়েছেন, আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের হস্টেল এবং আশ্রমগুলির উন্নয়নের দিকেও তাঁর নজর থাকবে সর্বাগ্রে।

পেশায় শিক্ষক ক্ষুদিরাম তৃতীয় বার বিজেপির প্রার্থী হয়ে রানিবাঁধ বিধানসভা থেকে জয়লাভ করেছেন। শনিবার রাজ্যের মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন। রবিবার সকালে জেলার জাহের থানে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন তাঁকে তাঁদের রীতি মেনে বরণ করেন। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী অভিযোগ করেন, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে বহু ভুয়ো ও গরমিল থাকা এসসি সার্টিফিকেট (তফসিলি শংসাপত্র) তৈরি হয়েছে। এইসব শংসাপত্র ব্যবহার করে অনেকে সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন।’’ তিনি এ-ও জানান, মন্ত্রী হিসাবে কাজের শুরুতেই এই দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ করবেন তিনি। যে সরকারি আধিকারিকদের তত্ত্বাবধানে জাতিগত শংসাপত্র প্রদানে অনিয়ম হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী ক্ষুদিরাম বলেন, ‘‘ভুয়ো শংসাপত্রের ভিত্তিতে যাঁরা সরকারি সুবিধা ভোগ করছেন, তাঁদের সুবিধা বাতিল করা হবে। শুধু দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই নয়, আদিবাসী সমাজের উন্নয়ন হবে অন্যতম লক্ষ্য।’’ শপথগ্রহণের পরপরই ক্ষুদিরাম জানিয়েছিলেন, নিজের বিধানসভা এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষাক্ষেত্রে রাজ্যের সুনাম ফিরিয়ে আনা এবং পিছিয়ে পড়া সমাজের উন্নয়নে কাজ করাই হবে তাঁর মূল লক্ষ্য।

বর্ধমান বাণীপীঠ স্কুলে শিক্ষকতা করতেন ক্ষুদিরাম। কর্মসূত্রে বর্ধমান শহরের খাঁপুকুর এলাকায় একটি বাড়িভাড়া করে থাকেন। স্ত্রী এবং এক কন্যা নিয়ে ছোট সংসার। স্ত্রী মালতী টুডু হেমব্রম পেশায় আশাকর্মী। মেয়ে চন্দ্রাণী টুডু নিট পরীক্ষা দিয়েছেন। মন্ত্রীর স্ত্রী বলেন, ‘‘স্বামীর লড়াইয়ে সবসময় পাশে ছিলাম। আশাকর্মী হওয়ার সুবাদে মানুষের ব্যথা-যন্ত্রণা এমনকি হাঁড়ির খবর তিনি রাখেন। সেটাকেই কাজে লাগিয়ে স্বামীর হয়ে প্রচার করেছি।’’ মন্ত্রী জানান, তাঁর প্রথম লক্ষ্য, নিজের বিধানসভা এলাকার উন্নয়ন। তা ছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রে রাজ্যের সুনাম ফিরিয়ে আনাও এখন বড় দায়িত্ব।

Minister Bardhaman
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy