রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের আসানসোলের বাড়িতে তল্লাশি চলছিল। তার মাঝেই হাজির হলেন তাঁর শ্যালিকা। বাড়ির ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু দরজা থেকেই তাঁকে ফিরিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)-র আধিকারিকরা।
বুধবার সকাল থেকে আসানসোলের তিনটি বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। তার মধ্যে ছিল মলয়ের আপকার গার্ডেনের বাড়িও। খবর চাউর হতে অনেকেই ভিড় করেন ওই চত্বরে। যদিও কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। সেই সময় আচমকা এক মহিলা উপস্থিত হন আপকার গার্ডেনের বাড়িতে। তিনি নিজেকে চিকিৎসক হিসাবে পরিচয় দেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। যদিও সিবিআই আধিকারিকরা তাঁকে বাধা দেন। দরজা থেকেই ফিরিয়ে দেন ওই মহিলাকে।
আরও পড়ুন:
-
অনুব্রত ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত নথিপত্র আদালতে দিল সিবিআই, শুরু হল শুনানি
-
আইফোন ১৪ বাজারে আসার আগেই বড় ধাক্কার মুখে অ্যাপল সংস্থা! এই দেশে বাতিল করা হল আইফোন বিক্রি
-
ভারতের ভাগ্য ঝুলে পাকিস্তানের হাতে, বুধবার নেমে রোহিতদের চিন্তা কি আরও বাড়াবেন রিজওয়ান
-
‘পোশাক নিয়ে পরামর্শ প্রেমিকা, মা, বোনকে দিন! উল্টোপাল্টা কথা বললে ছবি তুলতে দেব না’, হুমকি উরফির!
পরে জানা যায়, ওই মহিলার নাম সোনা গুপ্ত। তিনি মন্ত্রী মলয়ের শ্যালিকা। আসানসোল পুরনিগমের ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরও সোনা। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে সোনার সংক্ষিপ্ত জবাব, ‘‘আমি আমার দিদিকে দেখতে ঢুকেছিলাম। উনি অসুস্থ এবং একা রয়েছেন।’’ সূত্রের খবর, মলয় এই মুহূর্তে কলকাতায় রয়েছেন। লেক গার্ডেন্স এলাকায় তাঁর দু’টি ফ্ল্যাট রয়েছে। ঘটনাচক্রে, সেখানেও চলে সিবিআইয়ের তল্লাশি।
বুধবার প্রথমে আসানসোলের আপকার গার্ডেন এবং চেলিডাঙায় মন্ত্রীর দু’টি বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআই। পরে মলয়ের পৈতৃক বাড়িতেও হানা দেন তদন্তকারীরা। তল্লাশির সময় মন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোন জমা রাখা হয় বলে সূত্রের খবর। এর আগে পুর ভোটের সময় কয়লা পাচার-কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজ্যের মলয়কে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি।