Advertisement
E-Paper

চার দিনের সিবিআই হেফাজতে কয়লা পাচারে ধৃত সিআইএসএফ কর্তা এবং ইসিএলের প্রাক্তন আধিকারিক

কয়লা পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে ইস্টার্ন কোল্ড ফিল্ডের (ইসিএল) প্রাক্তন আধিকারিক সুনীলকুমার ঝা এবং শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর (সিআইএসএফ) আধিকারিক আনন্দকুমার সিংহকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করেছিল সিবিআই।

আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ মে ২০২৩ ১১:৫৭
বিচারক ধৃতদের চার দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। নিজস্ব চিত্র।

বিচারক ধৃতদের চার দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। নিজস্ব চিত্র।

কয়লা পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে ইস্টার্ন কোল্ড ফিল্ডের (ইসিএল) প্রাক্তন আধিকারিক সুনীলকুমার ঝা এবং শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর (সিআইএসএফ) আধিকারিক আনন্দকুমার সিংহকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। শুক্রবার তাঁদের আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে হাজির করানো হয়। বিচারক ধৃতদের চার দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগেও কয়লা পাচারকাণ্ডে ইসিএলের ৮ আধিকারিক গ্রেফতার হয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা মূলত জিএম পদমর্যাদার ছিলেন। এই প্রথম ইসিএলের উচ্চ পদমর্যাদার কোনও আধিকারিক গ্রেফতার হলেন। সুনীলকুমার ইসিএলের প্রাক্তন ডিরেক্টর (টেকনিক্যাল অপারেশন)। ২০১৮ সালে তিনি অবসর নেন। আনন্দকুমার সিআইএসএফের শীতলপুর ইউনিটে আধিকারিক ছিলেন। বর্তমানে তিনি ফরাক্কায় কর্মরত। কয়লা পাচারকাণ্ডে এই প্রথম সিআইএসএফের কাউকে গ্রেফতার করা হল। ধৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রচুর টাকার বিনিময়ে তাঁরা ইসিএলের লিজ়ে থাকা এলাকা ও রেল সাইডিংয়ে কয়লা পাচারকারীদের নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা ও নিরাপত্তা দিতেন।

তদন্তকারীদের দাবি, সুনীল ও আনন্দের বিরুদ্ধে কয়লা পাচারে যোগসাজশের সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা তদন্তে অসহযোগিতা করেন। তাঁদের বয়ানেও অসঙ্গতি ধরা পড়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়লা পাচারকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার বয়ানের ভিত্তিতে দু’জনকে বেশ কয়েক বার তলব করা হয়েছিল।

Coal Smuggling Scam
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy