Advertisement
E-Paper

এক বাড়িতে দশ বার প্রচারের বার্তা

শুক্রবার ১১টার আগেই উপনির্বাচনের প্রার্থী সৈকত পাঁজাকে নিয়ে মহকুমাশাসকের দফতরে চলে আসেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। তবে নথিপত্রে কিছু গোলমাল থাকায় তা ঠিক করে মনোনয়ন দিতে দিতে বেলা দেড়টা বেজে যায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০১৬ ০২:০৪
মনোনয়ন দিলেন সৈকত পাঁজা।

মনোনয়ন দিলেন সৈকত পাঁজা।

পাঁজিতে দিন, সময় দেখে মন্তেশ্বরে মনোনয়ন জমা দিল তৃণমূল।

শুক্রবার ১১টার আগেই উপনির্বাচনের প্রার্থী সৈকত পাঁজাকে নিয়ে মহকুমাশাসকের দফতরে চলে আসেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। তবে নথিপত্রে কিছু গোলমাল থাকায় তা ঠিক করে মনোনয়ন দিতে দিতে বেলা দেড়টা বেজে যায়। মনোনয়ন জমা দিয়ে সৈকতবাবু বলেন, ‘‘বাবা বিধায়ক হয়ে মন্তেশ্বরের নানা উন্নয়নমূলক কাজে হাত দিয়েছিলেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল মন্তেশ্বরকে ক্রমশ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। জিতলে বাবার স্বপ্নকে সফল করার চেষ্টা করব।’’

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে এই আসন বামেদের দখলে ছিল। এ বারই সেখানে তৃণমূলের টিকিটে জেতেন সজল পাঁজা। তবে বিধায়ক হওয়ার পাঁচ মাসের মধ্যে তাঁর অকাল প্রয়াণে শূন্য হয়ে যায় পদটি। উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হতেই শাসকদলের হয়ে টিকিট পান সজলবাবুরই বড় ছেলে সৈকত। এ দিন বছর ছাব্বিশের সৈকতবাবুর সঙ্গে ছিলেন জেলা সভাপতি (গ্রামীণ) স্বপন দেবনাথ, জেলার অন্যতম সম্পাদক উত্তম সেনগুপ্ত প্রমুখেরা। সৈকতকে প্রতিটা পদক্ষেপে কার্যত আগলে নিয়ে যান তাঁরা। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার আগে স্বপনবাবুকে বারবার দলীয় বিধায়ক, নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়।

তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচনের আগে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং জনপ্রতিনিধিদের মাটি কামড়ে পড়ে থাকার দাওয়ায় দিয়েছেন স্বপনবাবু। আগামী দিনে নেতাদের মূল্যায়নে এলাকায় জনপ্রিয়তাই যে প্রধান মাপকাঠি হবে, বুঝিয়ে দিয়েছেন তাও। মন্তেশ্বর বিধানসভা এলাকার ১৭টি পঞ্চায়েতে ২৭৩টি বুথ রয়েছে। প্রত্যেক বুথের দায়িত্বে থাকছেন এক জন করে স্থানীয় নেতা। বুথ স্তরের সমস্ত নেতাদের কাজকর্ম দেখার জন্য প্রতিটি পঞ্চায়েতের দায়িত্বে থাকছেন এক একজন বিধায়ক অথবা দাপুটে নেতা। তৃণমূলের একাংশের দাবি, টার্গেটও বেঁধে দেওয়া হয়েছে এখন থেকেই। এর পাশাপাশি দলেয় বিভিন্ন শাখা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক, প্রাণিবন্ধু, প্রাণিমিত্রা, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, আশা কর্মী, স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর সদস্যেদেরও বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিছিল করতে বলা হয়েছে প্রত্যন্ত গ্রামে। এ দিন স্বপনবাবু বলেন, ‘‘একটা একটা বাড়িতে সাত থেকে দশ বার যাওয়া যায়, সে ভাবে এগোতে বলা হয়েছে। আপাতত বড় সভার পরিকল্পনা নেই।’’ নিজস্ব চিত্র।

Election campaign
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy