পুরসভার বিদ্যুতের বকেয়া বিলের পরিমাণ ছাড়িয়ে গিয়েছে ১ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা। বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার কালনা ডিভিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, জলের পাম্প, রাস্তার আলো, বিয়েবাড়ি, মিটিং হল, পুরভবন-সহ কালনা পুরসভার ১৭০টি ক্ষেত্রে সংযোগ রয়েছে। সব থেকে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয় পথবাতি জ্বালাতে। বকেয়ার পরিমান কত জানিয়ে তা পরিশোধ করার জন্য প্রতি মাসেই একটি রিপোর্ট পাঠানো হয়।
বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মোটা অঙ্কের বিল বকেয়া রয়েছে পুরসভার। যার মধ্যে মার্চ মাস নাগাদ রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর ৬৬ লক্ষ টাকা শোধ করে।তবে তার পরেও বর্তমানে বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে রাস্তার আলোর জন্য। ৫০ লক্ষ টাকা বকেয়া জল তোলার পাম্পগুলি থেকে। এই দফতরের এক কর্তার কথায়, বকেয়ার পরিমাণ রাজ্যের পুর দফতরকে যেমন পাঠানো হয়, তেমনই সংশ্লিষ্ট পুরসভাকে প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল এবং বকেয়ার অঙ্ক পাঠিয়ে দেওয়া হয়। যেহেতু পুরসভা সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দেয়, তাই এই ধরনের সংযোগে মোটা অঙ্কের বিল বাকি থাকলেও সাধারণত বিচ্ছিন্ন করা হয় না।
পুরসভার বোর্ড গঠনের পরে আলো বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছিলেন কাউন্সিলর সমরজিৎ মণ্ডল। মোটা অঙ্কের বিদ্যুতের বিল বকেয়া থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘‘আলো বিভাগে নানা ত্রুটি চোখে পড়েছিল। তাই মাস চারেক আগেই পদত্যাগ করে পুরসভাকে চিঠি দিয়ে দিয়েছি। তাই এ ব্যাপারে মন্তব্য করব না।’’ উপপুরপ্রধান তপন পোড়েল অবশ্য দাবি করেন, বিদ্যুতের বিল নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে বিষয়টি নিয়ে চিন্তা না করার কথা জানানো হয়েছে। বকেয়া বিদ্যুতের বিল রাজ্য স্তর থেকে মেটানো হবে বলে আশ্বাস মিলেছে, দাবি তাঁর।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)