Advertisement
৩১ জানুয়ারি ২০২৩
Asansol

Asansol: পালাচ্ছেন মাস্কহীন যাত্রী, জরিমানা নিতে মরিয়া টিকিট পরীক্ষক, দেখুন ভিডিয়ো

স্টেশন চত্বরে মাস্ক ছাড়া কাউকে দেখলেই চেপে ধরে আদায় করছেন জরিমানা। আসানসোল স্টেশনের তেমনই এক ভিডিয়ো হয়ে উঠেছে ভাইরাল।

মাস্ক না পরায় জরিমানা আদায়।

মাস্ক না পরায় জরিমানা আদায়। নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব সংবাদদাতা
আসানসোল শেষ আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২১ ১৫:৩০
Share: Save:

মাস্ক ছাড়া যাত্রীদের ট্রেনে ওঠা নিষেধ। অথচ সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই যাতায়াত করছেন অনেকে। কিন্তু কড়া নজর রেখেছেন টিকিট পরীক্ষকরাও। স্টেশন চত্বরে মাস্ক ছাড়া কাউকে দেখলেই চেপে ধরে আদায় করছেন জরিমানা। আসানসোল স্টেশনের তেমন এক ভিডিয়ো হয়ে উঠেছে ভাইরাল।
রবিবার থেকে লোকাল ট্রেন চালু হয়েছে পুরোদমে। তবে ছুটির বার থাকায় ট্রেনে ভিড় কম ছিল স্বাভাবিক ভাবেই। তবে উল্টো ছবি ধরা পড়ে সোমবার। সপ্তাহের প্রথম দিন সকাল থেকে ভিড় ঠাসা ছিল প্রতিটি স্টেশন। একই ছবি ধরা পড়ে আসানসোল স্টেশনেও। সেই সময় ওভারব্রিজে কর্তব্যরত অবস্থায় ছিলেন মুখ্য টিকিট পরীক্ষক মলয় মজুমদার। স্টেশনের ভিতরে আসা যাত্রীদের টিকিট পরীক্ষা করছিলেন তিনি। আচমকাই মলয় দেখতে পান এক মাস্কহীন যাত্রীকে। তাঁকে ধরতে তিনি পকেট থেকে মাস্ক বার করে পরার চেষ্টা করেন। তবে তাতে তাঁকে ছাড় দেননি মলয়। জরিমানা আদায় করতে ওই যাত্রীর জামা চেপে ধরেন তিনি। ওই যাত্রীও পালানোর চেষ্টা করেন। তবে মলয় নাছোড়বান্দা। নিজের জুতো খুলে গেলেও যাত্রীর জামা ছাড়েননি তিনি। বহু টানাপড়েনের পর অবশেষে যাত্রীর থেকে জরিমানার টাকা আদায় করেন তিনি।

ওই যাত্রীর থেকে জরিমানা আদায়ের পর সাফল্যের হাসি মলয়ের মুখে। তিনি বলছেন, ‘‘লোকাল ট্রেন চালু হয়েছে। এই সময় মাস্ক না পরলে জরিমানা করা হচ্ছে। আমাদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাস্ক না থাকলে ২০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। তবে ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ মাস্ক পরছেন।’’ আসানসোল রেল বিভাগের সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার শান্তনু চক্রবর্তী বলেন, ‘‘কাল থেকেই এই অভিযান চালাচ্ছেন টিকিট পরীক্ষকরা। এই অভিযান আরও কড়া হবে যাতে সকলেই মাস্ক পরেন।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.