মায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় বাবার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ছেলে। কিন্তু সাক্ষ্যদান শুরু হওয়ার পরে আর আদালতে হাজির হননি তিনি। কিন্তু সাক্ষ্য দিতে এগিয়ে এসেছিলেন মেয়ে। সেই মামলায় অভিযুক্তের এক বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। আইনজীবীরা জানান, খুনের অভিযোগ প্রমাণ না হলেও বধূ নির্যাতনের দায়ে এই সাজা ঘোষণা করেছেন আসানসোল আদালতের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক মুকুলকুমার কুণ্ডু। সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাস জেলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকার পক্ষের আইনজীবী স্বরাজ চট্টোপাধ্যায় জানান, ২০০৭-এর ২৮ জুন হিরাপুরের সাতাডাঙায় সুপর্ণা দাসের অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। মৃতার ছেলে সম্রাট বাবা শ্যামল দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়। পরে জামিনও পায়। পরে সম্রাটের কোনও খোঁজ পায়নি পুলিশ। তবে শুনানি শুরু হতে বাবার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন মৃতার মেয়ে সুস্মিতা। আইনজীবীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন মায়ের উপরে বাবা নির্যাতন চালাচ্ছে দেখে সুস্মিতা স্কুলে পরীক্ষা দিতে যেতে চাইছিলেন না। তাঁকে জোর করে স্কুলে পাঠান মা। স্কুল থেকে ফিরে মায়ের মৃত্যুর খবর পান সুস্মিতা। তার পর থেকে তিনি মামার বাড়িতে রয়েছেন।