Advertisement
E-Paper

হাতে মাত্র এক দিন, ভর্তির চিন্তায় সুজন

বাড়িতে তিন ভাই-বোন। বাবা খেতমজুরের কাজ করে সংসার চালান। পরিবারের ছোট ছেলে কালনার পূর্ব সাতগাছিয়ার সুজন দাস এ বার জয়েন্ট এন্ট্রান্সে ডাক্তারিতে তফসিলি জাতি সংরক্ষিত আসনে ৪৪৭তম স্থান পেয়েছে। কাউন্সিলিংয়ে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সুযোগও মিলেছে। কিন্তু বাধ সেধেছে পরিবারের অবস্থা। সমস্যা সমাধানে বুধবার সুজন আবেদন জানায় রাজ্যের প্রাণিসম্পদ দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও মহকুমাশাসককে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০১৫ ০২:১৭

বাড়িতে তিন ভাই-বোন। বাবা খেতমজুরের কাজ করে সংসার চালান। পরিবারের ছোট ছেলে কালনার পূর্ব সাতগাছিয়ার সুজন দাস এ বার জয়েন্ট এন্ট্রান্সে ডাক্তারিতে তফসিলি জাতি সংরক্ষিত আসনে ৪৪৭তম স্থান পেয়েছে। কাউন্সিলিংয়ে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সুযোগও মিলেছে। কিন্তু বাধ সেধেছে পরিবারের অবস্থা। সমস্যা সমাধানে বুধবার সুজন আবেদন জানায় রাজ্যের প্রাণিসম্পদ দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও মহকুমাশাসককে।

২০০২-এ ইন্দিরা আবাস যোজনায় সুজনরা ঘর পায়। তার বাবা শ্রীকান্তবাবু জানান, বড় ছেলে তাপস কলেজে দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া। সুজনের দিদি তাপসীও এ বার উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছে। উচ্চ মাধ্যমিকে সুজন ৯২ শতাংশ নম্বর নিয়ে পাশ করেছে। তিন ছেলেমেয়ের পড়াশোনা চলাতে গিয়ে ইতিমধ্যে ধার করতে হয়েছে বলে জানান শ্রীকান্তবাবু।

সুজন জানায়, ৩ জুলাই দুর্গাপুরের কলেজে ভর্তির দিন। লাগবে দেড় লাখ টাকারও বেশি। চেয়েচিন্তে জোগাড় হয়েছে ৫০ হাজার মতো। শ্রীকান্তবাবুর আশঙ্কা, ‘‘জানি না ছেলের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে কি না।’’ তবে সুজনের আশা, দ্বিতীয় বা তৃতীয় কাউন্সেলিং-এ সরকারি কলেজে ভর্তির সুযোগ মিলবে। কিন্তু জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের নিয়ম অনুসারে, প্রথম কাউস্নেলিংয়ে ভর্তি না হলে পরে আর সুযোগ মিলবে না।

Advertisement

সুজন শিক্ষক পার্থ মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে দেখা করেন স্বপনবাবুর সঙ্গে। স্বপনবাবুর আশ্বাস, বিষয়টি নিয়ে তিনি স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যর সঙ্গে কথা বলবেন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy