লালন শেখের মৃত্যুতে ৭ আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতেই পাল্টা আইনি পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)। ওই এফআইআর খারিজের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে গেল সিবিআই। এ নিয়ে মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি।
সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালনের রহস্যমৃত্যুতে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। তাতে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুন, তোলাবাজির অভিযোগ-সহ একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে সিবিআইয়ের ডিআইজি এবং এএসপি-সহ মোট ৭ জনের নামে। সেই ৭ জনের মধ্যে রয়েছেন সুশান্ত ভট্টাচার্য নামে এক সিবিআই আধিকারিক। তিনি গরু পাচার মামলার তদন্তকারী আধিকারিক হিসাবে কাজ করছেন। ওই মামলায় বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতারও করেছিলেন সুশান্ত। রাজ্য পুলিশের সেই এফআইআরকে চ্যালেঞ্জ করে এ বার কলকাতা হাই কোর্টে গিয়েছে সিবিআই। তদন্তকারী সংস্থার আবেদন, সিবিআই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজ করা হোক। এ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সিবিআই। আবেদন শোনার পর বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত মামলা করার অনুমতিও দিয়েছেন। বুধবার বিকেল ৩টেয় সেই মামলার শুনানির সম্ভাবনা। লালনের মৃত্যুর তদন্তভার ইতিমধ্যেই তুলে দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।
আরও পড়ুন:
-
লালনের দেহ সিবিআই ক্যাম্পের সামনে এনে বিক্ষোভ পরিবারের! ধস্তাধস্তি, দাবি গ্রেফতারের
-
লালন-মৃত্যুতে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর, আছে কেষ্টকে গ্রেফতার করা অফিসারের নাম!
-
মমতা-অভিষেকের ‘অবাধ’ বার্তার পরেও কেন ভিন্ন সুর শোনা যাচ্ছে তৃণমূলে?
-
মমতা-অভিষেকের ‘অবাধ’ বার্তার পরেও কেন ভিন্ন সুর শোনা যাচ্ছে তৃণমূলে?
সিবিআইয়ের আইনজীবীর দাবি, লালনের মৃত্যু গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, মৃত্যুর পর তাঁর দেহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ময়নাতদন্তও হয়েছে। তার পরেও সিবিআইয়ের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কেন আনা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী। তাঁর আশঙ্কা, এর ফলে অন্য মামলার তদন্তও থমকে যেতে পারে। তাঁর ব্যাখ্যা, যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে তাঁদের কেউ কেউ গরু পাচার মামলার তদন্ত করছেন।