শনিবার রাতেই দিল্লি থেকে রাজ্যের সিইও (মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক) দফতরে এসে পৌঁছোল এসআইআরের তথ্যগত অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি) তালিকা। শুধু তা-ই নয়, কথামতো পাঠানো হয়েছে ‘নো-ম্যাপিং’ ভোটার তালিকাও। শনিবার রাতে সেই তালিকা পাঠানো হয়েছে ইআরও-দের কাছে। রবিবার থেকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো টাঙানো শুরু হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। তবে শনিবার দিনভর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির যে তালিকা প্রকাশ করা হয়, তা কোথা থেকে এল? কী ভাবে প্রকাশিত হল? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
শনিবার বিভিন্ন জেলায় নির্দিষ্ট দফতরে ওই তালিকা টাঙিয়ে দেওয়ার বিষয় প্রকাশ্যে আসে। সেই বিষয়টা গোচরে আসতেই বার্তা দিল কমিশন। যে সব জায়গা থেকে তালিকা প্রকাশ হয়েছে, সেই সব জেলার নিবার্চনী আধিকারিক (ডিইও) তথা জেলাশাসকদের কাছে কমিশন রিপোর্ট চাইল।
পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলায় শুনানিতে ডাক পড়া ব্যক্তিদের লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই অনুযায়ী গত বুধবার কমিশন জানিয়েছিল, শনিবারেই তালিকা প্রকাশ করা হবে। শুধু লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির তালিকা নয়, কমিশন জানিয়েছিল, তারা ‘নো-ম্যাপিং’ ভোটার তালিকাও প্রকাশ করবে। শনিবার একসঙ্গে দুই তালিকা মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ২৬ লক্ষ নাগরিকের তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল। শনিবার রাতে সেই তালিকা দিল্লি থেকে এলেও তা সাধারণের জন্য প্রকাশ করা হয়নি।
আরও পড়ুন:
কমিশন সূত্রে খবর, দিল্লি থেকে শনিবার রাতে তালিকা রাজ্যের সিইও (মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক) দফতরে এসে পৌঁছোয়। ইআরও-দের কাছে ওই তালিকা পাঠানো হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে নির্দিষ্ট জায়গাগুলিতে টাঙানো হবে ওই তালিকা। গ্রামের ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত ও ব্লক অফিস এবং পুরসভার ক্ষেত্রে ওয়ার্ড অফিসে টাঙানো হবে এই তালিকা।