মূলধনী (ক্যাপিটাল) বা পরিকাঠামো খাতে খরচে জোর দিয়েই পূর্ণাঙ্গ বাজেট (চলতি তথা ২০২৬-২৭ আর্থিক বছরের) প্রস্তুতির নির্দেশ দিল প্রশাসনের শীর্ষমহল। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের সেই বার্তা পৌঁছে গিয়েছে দফতরে দফতরে। আগামী জুলাইতেই পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে পারে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। গত ফেব্রুয়ারিতে ভোটের আগে চার মাসের জন্য অন্তর্বর্তী বাজেট (ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট) পেশ করেছিল বিগত তৃণমূল সরকার।
কেন্দ্রীয় সরকার বরাবরই পরিকাঠামো বরাদ্দ বাড়ানোর ক্ষেত্রে রাজ্যগুলিকে উৎসাহ দিয়েছিল। তবে বিগত সরকারের আমলে এই খাতে বরাদ্দ ছিল নামমাত্র। চলতি বছরে প্রায় চার লক্ষ কোটি টাকার বাজেট পেশ করা হলেও, তাতে সেতু-সড়ক নির্মাণ বা সংস্কার, স্থায়ী সম্পদ তৈরির মতো ক্ষেত্রগুলি ছিল পিছনের সারিতেই। সূত্রের দাবি, দফতরগুলিকে বলে দেওয়া হয়েছে, অর্থনীতির চাকা গড়াবে, এমন পরিকল্পনার উপর নির্ভর করেই প্রস্তাব তৈরি করতে হবে। বর্তমান সরকার আগের অনুদান প্রকল্পগুলি বন্ধ করছে না। ফলে অনুদান এবং পরিকাঠামো খরচের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করার লক্ষ্য হবে নতুন সরকারের। আবার পরিকাঠামো সংক্রান্ত দফতরগুলিতে বরাদ্দ হয়েছিল নামমাত্র বাজেট। তার মধ্যেও পুরো অর্থ দফতরগুলিকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে সার্বিক ভাবে বাস্তবসম্মত বাজেট প্রস্তাব তৈরিতে জোর দিয়েছে নবান্ন।
অন্য দিকে, মুখ্যসচিবের দফতরে পাঁচ জন আইএএস অফিসারকে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা ক্ষেত্র ভাগ করে মুখ্যসচিবকে সহযোগিতা করবেন। নতুন করে তৈরি হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরও। আগেই সেই দফতরে কয়েক জন আইএএস অফিসারকে নিয়োগ করা হয়েছিল। এ বার আরও চার জন ডব্লিউবিসিএস (এগ্জ়িকিউটিভ) আধিকারিককে নিয়োগ করা হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)