E-Paper

জমির তথ্য নিখরচায় দিতে সরকারি নির্দেশিকা

বৃহস্পতিবার ‘রেকর্ড অব রাইটস’ (খতিয়ান) এবং ‘প্লট ইনফরমেশন’ (জমির তথ্য)-এর ডিজিটাল প্রতিলিপি পাওয়ার জন্য সরকারের ধার্য করা ফি মকুবের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ০৬:২২

—প্রতীকী চিত্র।

মন্ত্রিসভা ছাড়পত্র দেওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই জমির খতিয়ান এবং তথ্য সংক্রান্ত নাগরিক পরিষেবা বিনামূল্যে দেওয়ার সরকারি আদেশনামা প্রকাশ করল রাজ্য সরকার। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও নিজের সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন, নাগরিক পরিষেবা সহজলভ্য করতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও জানান, বিশেষ করে কৃষকেরা এই পদক্ষেপে খুব উপকৃত হবেন।

বৃহস্পতিবার ‘রেকর্ড অব রাইটস’ (খতিয়ান) এবং ‘প্লট ইনফরমেশন’ (জমির তথ্য)-এর ডিজিটাল প্রতিলিপি পাওয়ার জন্য সরকারের ধার্য করা ফি মকুবের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই উদ্দেশ্যে ওই দিনের বৈঠকে ১৯৪৩ সালের ‘বেঙ্গল রেকর্ডস ম্যানুয়াল’ বিধি সংশোধনের প্রস্তাব মঞ্জুর করেছিল মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে, অথেন্টিকেশন ফি মকুবের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।তার পরে ভূমি এবং ভূমি সংস্কার দফতরের প্রধান সচিব সুরেন্দ্র গুপ্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। তাতে বলা হয়েছে, যে কোনও আবেদনকারী অনলাইনে খতিয়ান অথবা ব্যক্তিগত জমির তথ্য চাইতে পারেন ১৯৫৫ সালের পশ্চিমবঙ্গ ভূমি সংস্কার আইন অনুযায়ী। তাতে দফতরের তথ্যভান্ডারে ডিজিটাইজ থাকা নথি বিনামূল্যে দেওয়া হবে। আবেদন বা প্রমাণীকরণের জন্যও ফি বাবদ কোনও অর্থ সরকারকে দিতে হবে না আবেদনকারীকে। সরকার যে নথি আবেদনকারীকে দেবে, তাতে ডিজিটাল স্বাক্ষর থাকবে। ফলে সে নথির আইনি বৈধতাও থাকবে যথাযথ ভাবে। সরকার নির্দেশিকায় আরও বলেছে, জনপরিষেবাকে উন্নত করা, নাগরিকদের উপরে আর্থিক বোঝা লাঘব করা, স্বচ্ছতা ও হয়রানিমুক্ত পরিষেবা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত। আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, জমির তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে বিস্তর হয়রানির শিকার হতে হয় সাধারণ মানুষকে। বিভিন্ন জায়গায় দালালরাজ সক্রিয় থাকায় নিজেরই নথি পেতে মোটা টাকা খসাতে হয় বলেও অভিযোগ ওঠে নানা সময়ে। এখন থেকে অনলাইনে নিখরচায় বিষয়টির পাওয়া নিশ্চিত হওয়ায়, সেই হয়রানি আর পোহাতে হবে না।

নির্দেশিকা প্রকাশ হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “নাগরিক পরিষেবা ঝামেলামুক্ত, স্বচ্ছ এবং সহজলভ্য করতে আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। খতিয়ান এবং জমির দাগের তথ্য পাওয়ার জন্য পূর্ববর্তী সরকার যে অ্যাপ্লিকেশন ফি আদায় করত, তা আনুষ্ঠানিক ভাবে মকুব করা হয়েছে। ডিজিটাল স্বাক্ষরিত এই সব নথি বিনামূল্যেই ডাউনলোড করা যাবে।” তাঁর সংযোজন, “জমির সব মালিক, বিশেষ করে কৃষকেরা এতে সরাসরি উপকৃত হবেন। আপনার জমি, আপনার অধিকার, আপনার তথ্য এখন একটি ক্লিকের আওতায়।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

West Bengal government

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy