Advertisement
E-Paper

আইপ্যাক মামলা পিছিয়ে গেল! ইডির আইনজীবীর আবেদন মেনে শুনানির নতুন দিন ধার্য করল সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চে শুনানি ছিল। কবে আবার শুনানি হবে, তার দিনও জানিয়ে দেওয়া হল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৪৮
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

আইপ্যাক সংক্রান্ত ইডির দায়ের করার মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চে শুনানি ছিল। কবে আবার শুনানি হবে, তার দিনও জানিয়ে দেওয়া হল।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দেয় রাজ্য। মঙ্গলবার শুনানির শুরুতেই ইডির তরফে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আবেদন করেন, রাজ্যের দেওয়া হলফনামা খতিয়ে দেখার সময় দেওয়া হোক। ইডি-ও পাল্টা হলফনামা দিতে চায় বলে আদালতে জানান তুষার। শুনানির দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করা হয় ইডির তরফে। ইডির আবেদন নিয়ে রাজ্য মত জানতে চায় বিচারপতি মিশ্রের বেঞ্চ। রাজ্য সম্মতি দেওয়ার পরই মামলা পিছিয়ে দেওয়ার কথা জানায় তারা। আগামী মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে রাজ্যের তরফে ইডির মামলা খারিজের আবেদন করা হয়। রাজ্যের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা দায়ের করার কোনও মৌলিক অধিকার নেই ইডির। যে ভাবে তল্লাশি চালানো হয়েছে, সে ভাবে তল্লাশি চালানো যেতে পারে না। কেন আইপ্যাককে কোনও আগাম নোটিস দেওয়া হয়নি, সে প্রশ্নও তোলা হয়েছে রাজ্যের তরফে। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় (সাংবিধানিক প্রতিবিধান সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার) অভিযোগ এনেছিল ইডি। রাজ্যের বিরুদ্ধে ‘বেআইনি হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয় তারা। হলফনামায় রাজ্য পাল্টা দাবি করে, আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে ইডির অভিযান সংবিধানের ২১ নম্বর ধারার (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) পরিপন্থী।

গত ৮ জানুয়ারি সকালে বেআইনি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার সূত্রে কলকাতায় জোড়া অভিযান চালিয়েছিল ইডি। একটি দল গিয়েছিল সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের দফতরে। অন্য দলটি গিয়েছিল লাউডন স্ট্রিটে প্রতীকের বাড়িতে। আইপ্যাক রাজ্য সরকারের পরামর্শদাতা সংস্থা। তাদের দফতরে ইডির হানার কথা শুনে মমতা নিজে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, ইডির তল্লাশি চলাকালীনই প্রতীকের বাড়িতে ঢুকে নথিপত্র, ফাইল এবং ল্যাপটপ বার করে আনেন তিনি। পরে সল্টলেকে সংস্থার দফতরে গিয়েও একই কাজ করেন। তার পরেই তদন্তে বাধা পাওয়ার অভিযোগ তুলে সে দিনই ইডি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। কিন্তু ৯ জানুয়ারি ওই আবেদনের শুনানি আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত মুলতুবি করে দিয়েছিলেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। তার পরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি।

আইপ্যাক-কাণ্ডে ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিল কলকাতা পুলিশ। তবে গত শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ ইডির বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের দায়ের করা তিনটি এফআইআরের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। পাশাপাশি, মামলায় সব পক্ষকে (ইডির বিরুদ্ধে মামলাকারী সব পক্ষ) নোটিস জারি করেছে দুই বিচারপতির বেঞ্চ। দু’সপ্তাহের মধ্যে তাদের আদালতে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই সঙ্গে যে দুই এলাকায় ইডি তল্লাশি চালিয়েছিল, সেখানে এবং তার আশপাশের এলাকার সব সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। আদালতের নির্দেশ মেনে সোমবার হলফনামা দেয় রাজ্য।

I-Pac ED Raids Supreme Court
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy