তরুণ ক্রিকেটারের দেহ উদ্ধার হল তাঁর বাড়ি থেকে। বুধবার হাওড়ার বেলুড়ের রেল কলোনি এলাকা থেকে পুলিশ তাঁর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, অর্থিক সঙ্কটের জেরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ওই ক্রিকেটার। তার জেরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ক্রিকেটারের নাম রোহিত যাদব (১৮)। তাঁর বাড়ি বেলুড়ের রেল কলোনি এলাকায়। বুধবার ঘর থেকে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ মনে করছে, অ্যাসিড খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন রোহিত। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য জুনিয়র ক্রিকেট টিমে ২০১৯-২০ সালে সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি আর্থিক অনটনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে রোহিতের পরিবার। তাঁর কাকা সুনীল যাদব বলেন, ‘‘চড়া সুদে অনেক টাকা ধার নিয়েছিলেন রোহিতের মা। টাকা সময়ে দিতে না পারায় পাওনাদারেরা ওঁদের অপমান করতেন। ছোট একটি চায়ের দোকান চালিয়ে কোনও রকমে সংসার চলে ওঁদের। কিন্তু, পাওনাদারের ভয়ে ওঁরা দোকান বন্ধ করে চলে গিয়েছিলেন। যদিও রোহিত এখানেই ছিলেন।’’ সুনীলের অভিযোগ, রোহিতের দোকান জোর করে দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করছিল পাওনাদাররা।
আরও পড়ুন:
-
বিচারপতি মান্থার কাছে দুঃখপ্রকাশ করল রাজ্য, আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনারও প্রতিশ্রুতি
-
সুর নরম পাকিস্তানের! জয় শাহের সঙ্গে কথা বলতে চান পাক বোর্ড প্রধান
-
কলকাতায় তৃণমূল মেয়র পারিষদের মৌলালির হোটেলে আয়কর আধিকারিকদের হানা, তল্লাশি চলল কিছু ক্ষণ
-
মাথার উপর দু’হাতে ধরা ‘বিশ্বের ভার’, পায়ে প্যাডেল, ভরা বাজারে হু হু বেগে চলছে সাইকেল
সুনীল আরও জানিয়েছেন, রোহিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ক্রিকেটার হয়ে চাকরি করে সব ঋণ শোধ করে দেওয়ার। কিন্তু, সে কথা শোনেনি পাওনাদাররা। তাই মানসিক অবসাদগ্রস্ত হয়ে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে রোহিতের পরিবারের সদস্যরা মনে করছেন। যদিও, এ নিয়ে এখনও কারও বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়নি। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে বেলুড় থানার পুলিশ। পাশাপাশি, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে শুরু হয়েছে তদন্তও।