E-Paper

রবিবার থেকে ফুটপাতে বসায় বাধা মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীদের

মঙ্গলাহাট সপ্তাহে শুধু মঙ্গলবার বসার কথা, কিন্তু গত কয়েক দশক ধরে তা বাড়তে বাড়তে রবি, সোম ও মঙ্গলবারেও হকারেরা বসেন। রবিবার ভোর থেকে ব্যবসায়ীরা আসতে শুরু করেন। সেই হাট চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ জুন ২০২৬ ০৭:৫৮

—ফাইল চিত্র।

পূর্ব সিদ্ধান্ত মতো রবিবার থেকেই ফুটপাতে হাওড়ার মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীদের বসতে দিল না পুলিশ। তবে মঙ্গলাহাটের বিল্ডিংয়ে ব্যবসায়ীরা জামাকাপড় বিক্রি করতে পেরেছেন বলে জানা গিয়েছে। এ দিন ভোরে বঙ্গবাসী মোড় থেকে হাওড়া থানা পর্যন্ত নিত্যধন মুখার্জি রোডের ফুটপাতে জামাকাপড় নিয়ে হকারেরা বসতে চেষ্টা করলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা তাঁদের সেখান বসতে বাধা দেন। মাইকে প্রচার করে ব্যবসায়ীদের ফুটপাতে বসতে নিষেধ করা হয়। ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা বৃহত্তর আন্দোলনের পাশাপাশি আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

মঙ্গলাহাট সপ্তাহে শুধু মঙ্গলবার বসার কথা, কিন্তু গত কয়েক দশক ধরে তা বাড়তে বাড়তে রবি, সোম ও মঙ্গলবারেও হকারেরা বসেন। রবিবার ভোর থেকে ব্যবসায়ীরা আসতে শুরু করেন। সেই হাট চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। বাকি দু’দিনও একই ভাবে হাট বসে। হাওড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে সপ্তাহে তিন দিন হাট বসা নিয়ে মানুষের ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। কারণ এই হাটের জন্য প্রবল ভিড়, যানজট, আর্বজনা আর দুর্গন্ধে ভরে যায় এলাকা।

অভিযোগ, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে ক্রমবর্ধমান এই হাট বন্ধ করা যায়নি। পালাবদলের পরে হাওড়া ময়দান চত্বর, জেলাশাসকের অফিস চত্বর, হাওড়া জেলা হাসপাতাল, হাওড়া গার্লস কলেজের সামনে চার্চ রোডের মতো রাস্তা এবং বঙ্কিম সেতুর নীচের ফুটপাতের দখল সরাতে উদ্যোগী প্রশাসন। গত সপ্তাহেই পুলিশ মাইকে ঘোষণা করে আগামী সপ্তাহ থেকে ফুটপাত ও রাস্তায় হাট বসতে দেওয়া হবে না। এ দিন ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ভোর থেকে নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের।

হাওড়া মঙ্গলাহাট ব্যবসায়ী সংগঠন এবং হাওড়া মঙ্গলাহাট ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রাজকুমার সাহা বললেন, ‘‘সোমবার সকালে হাওড়া থানার সামনে জমায়েত করে হাট ব্যবসায়ীদের তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করব। এ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করব। কারণ, পুলিশ সরকারি নির্দেশিকা না দেখিয়েই ব্যবসায়ীদের তুলে দিচ্ছে। মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীদের তুলতে রাজ্যের কোনও লিখিত নির্দেশিকা আছে কিনা, দেখাচ্ছেই না।’’

হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তার অবশ্য দাবি, ‘‘আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল যে রাস্তা ও ফুটপাতে আর হাট বসতে দেওয়া যাবে না। হাট ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছে, নির্ধারিত জায়গায় হাট বসাতে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Mangalahat Footpath Encroachment Hawkers eviction West Bengal government

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy